মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল এবং ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের জন্য এই যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতা করেছে পাকিস্তান। এই চুক্তির ফলে হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিরাপদে যাতায়াত সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে তেহরান। যুদ্ধবিরতির এই ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমনে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা যুদ্ধের দামামা কিছুটা হলেও স্তিমিত করেছে।
এই যুদ্ধবিরতির পরিপ্রেক্ষিতে ইসলামি স্কলার ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ এক ফেসবুক পোস্টে মহান আল্লাহর কাছে এই যুদ্ধবিরতি স্থায়ী হওয়ার এবং বিশ্ববাসীকে জুলুম ও আগ্রাসন থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য প্রার্থনা করেছেন। অন্যদিকে, বাংলাদেশ সরকারও এই সাময়িক যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে আশা প্রকাশ করেছে যে, সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষ এই যুদ্ধবিরতির প্রতি সম্মান দেখাবে এবং একটি মজবুত ও টেকসই সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করবে, যা পুরো অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে। বাংলাদেশ আরও পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, সকল বিরোধ সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করা সম্ভব ও উচিত।
রিপোর্টারের নাম 





















