ঢাকা ০১:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বন্ধ হলো ট্রাম্পের ‘ট্রুথ স্টোর’

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা একটি স্মারক পণ্যের দোকান সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। দোকানের মালিক ক্রেতা সমাগম কমে যাওয়ার পেছনে ইরান যুদ্ধের প্রভাবকে দায়ী করেছেন।

ইলিনয়ের শিকাগোর ক্রিস্টাল লেকে অবস্থিত ‘ট্রাম্প ট্রুথ স্টোর + হ্যাংআউট’-এর মালিক লিসা ফ্লেইশম্যান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক বার্তায় দোকান বন্ধের ঘোষণা দেন। তিনি জানান, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দোকানটি বন্ধ থাকবে।

ফ্লেইশম্যান দ্য শিকাগো ট্রিবিউনকে বলেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রেসিডেন্ট কর্তৃক ইরানের ওপর ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করার পর থেকে তার রাজনৈতিক টি-শার্ট ও স্মারক সামগ্রীর বিক্রি আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। লাল টুপি, পতাকা এবং ‘গড, গানস, অ্যান্ড ট্রাম্প’ লেখা শার্টের মতো পণ্যগুলোর প্রতি মানুষের আগ্রহ একেবারেই তলানিতে ঠেকেছে।

তিনি আরও জানান, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ব্যবসা প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। ক্রেতারা বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চিত এবং বিভ্রান্ত। অনেকে এসব পণ্য পরে বাইরে বের হতে দ্বিধা বোধ করছেন, পাছে কেউ প্রশ্ন করে।

ফ্লেইশম্যান কিছুদিন ধরেই দোকান বন্ধের ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন। তিনি শারীরিক অসুস্থতার কথাও উল্লেখ করেন এবং দোকানটিকে অনলাইনে সরিয়ে নেওয়ার কথা ভাবছিলেন। অবশেষে, তিনি আপাতত দোকান বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বলেন, ‘আমি ভাড়ার অর্ধেকও তুলতে পারছি না। আমি কখনো অর্থের জন্য এটি করিনি, কিন্তু সব খরচ চালিয়ে আর কতদিন টিকে থাকতে পারব জানি না।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতায় সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে ধান কাটা নিয়ে কৃষকদের অনিশ্চয়তা

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বন্ধ হলো ট্রাম্পের ‘ট্রুথ স্টোর’

আপডেট সময় : ০৫:০০:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা একটি স্মারক পণ্যের দোকান সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। দোকানের মালিক ক্রেতা সমাগম কমে যাওয়ার পেছনে ইরান যুদ্ধের প্রভাবকে দায়ী করেছেন।

ইলিনয়ের শিকাগোর ক্রিস্টাল লেকে অবস্থিত ‘ট্রাম্প ট্রুথ স্টোর + হ্যাংআউট’-এর মালিক লিসা ফ্লেইশম্যান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক বার্তায় দোকান বন্ধের ঘোষণা দেন। তিনি জানান, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দোকানটি বন্ধ থাকবে।

ফ্লেইশম্যান দ্য শিকাগো ট্রিবিউনকে বলেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রেসিডেন্ট কর্তৃক ইরানের ওপর ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করার পর থেকে তার রাজনৈতিক টি-শার্ট ও স্মারক সামগ্রীর বিক্রি আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। লাল টুপি, পতাকা এবং ‘গড, গানস, অ্যান্ড ট্রাম্প’ লেখা শার্টের মতো পণ্যগুলোর প্রতি মানুষের আগ্রহ একেবারেই তলানিতে ঠেকেছে।

তিনি আরও জানান, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ব্যবসা প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। ক্রেতারা বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চিত এবং বিভ্রান্ত। অনেকে এসব পণ্য পরে বাইরে বের হতে দ্বিধা বোধ করছেন, পাছে কেউ প্রশ্ন করে।

ফ্লেইশম্যান কিছুদিন ধরেই দোকান বন্ধের ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন। তিনি শারীরিক অসুস্থতার কথাও উল্লেখ করেন এবং দোকানটিকে অনলাইনে সরিয়ে নেওয়ার কথা ভাবছিলেন। অবশেষে, তিনি আপাতত দোকান বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বলেন, ‘আমি ভাড়ার অর্ধেকও তুলতে পারছি না। আমি কখনো অর্থের জন্য এটি করিনি, কিন্তু সব খরচ চালিয়ে আর কতদিন টিকে থাকতে পারব জানি না।’