ঢাকা ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি সেনা মোতায়েন বৃদ্ধি, স্থল অভিযান জোরদার

ইসরাইল দক্ষিণ লেবাননে তাদের স্থল অভিযান জোরদার করার লক্ষ্যে নতুন করে সেনা মোতায়েন করেছে। মঙ্গলবার ৯৮তম ডিভিশনটিকে ওই অঞ্চলে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। এই অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের ফলে ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহ গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ইসরাইলের সামরিক তৎপরতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে লেবাননের ভূখণ্ডে ইসরাইলি বাহিনীর অনুপ্রবেশ ঠিক কতদূর পর্যন্ত বিস্তৃত হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, এর আগে থেকেই ৯১তম, ৩৬তম, ১৪৬তম ও ১৬২তম ডিভিশন দক্ষিণ লেবাননে সক্রিয় ছিল। নতুন ৯৮তম ডিভিশন যুক্ত হওয়ায় মোট পাঁচটি ডিভিশন এখন সেখানে মোতায়েন রয়েছে। ইসরাইলি বাহিনী জানিয়েছে, এই নতুন ডিভিশন ‘সামনের প্রতিরক্ষা লাইনকে আরও শক্তিশালী করবে’ এবং উত্তরাঞ্চলের বাসিন্দাদের সম্ভাব্য যেকোনো হুমকি মোকাবিলায় সহায়ক হবে।

দৈনিক ইয়েদিওথ আহরোনোথের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ লেবাননের পাহাড়ি ও ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চল গাজার চেয়ে অনেক বেশি জটিল, যা ইসরাইলি বাহিনীর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। অভিযানের মূল উদ্দেশ্য হলো হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের লিতানি নদীর উত্তর দিকে হটিয়ে দেওয়া এবং সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোকে সামরিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইসরাইলি সেনাবাহিনী রাজনৈতিক নেতৃত্বের কাছে একটি পরিকল্পনা জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে, যেখানে সীমান্তবর্তী গ্রামগুলো নিয়ন্ত্রণে নেওয়া এবং ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরও সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তবে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এই কৌশলকে দখলদারিত্ব হিসেবে গণ্য করা হতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অধ্যাদেশ ও সংস্কার ইস্যুতে সরকারের ইউ-টার্ন

দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি সেনা মোতায়েন বৃদ্ধি, স্থল অভিযান জোরদার

আপডেট সময় : ০১:৩৫:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

ইসরাইল দক্ষিণ লেবাননে তাদের স্থল অভিযান জোরদার করার লক্ষ্যে নতুন করে সেনা মোতায়েন করেছে। মঙ্গলবার ৯৮তম ডিভিশনটিকে ওই অঞ্চলে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। এই অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের ফলে ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহ গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ইসরাইলের সামরিক তৎপরতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে লেবাননের ভূখণ্ডে ইসরাইলি বাহিনীর অনুপ্রবেশ ঠিক কতদূর পর্যন্ত বিস্তৃত হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, এর আগে থেকেই ৯১তম, ৩৬তম, ১৪৬তম ও ১৬২তম ডিভিশন দক্ষিণ লেবাননে সক্রিয় ছিল। নতুন ৯৮তম ডিভিশন যুক্ত হওয়ায় মোট পাঁচটি ডিভিশন এখন সেখানে মোতায়েন রয়েছে। ইসরাইলি বাহিনী জানিয়েছে, এই নতুন ডিভিশন ‘সামনের প্রতিরক্ষা লাইনকে আরও শক্তিশালী করবে’ এবং উত্তরাঞ্চলের বাসিন্দাদের সম্ভাব্য যেকোনো হুমকি মোকাবিলায় সহায়ক হবে।

দৈনিক ইয়েদিওথ আহরোনোথের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ লেবাননের পাহাড়ি ও ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চল গাজার চেয়ে অনেক বেশি জটিল, যা ইসরাইলি বাহিনীর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। অভিযানের মূল উদ্দেশ্য হলো হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের লিতানি নদীর উত্তর দিকে হটিয়ে দেওয়া এবং সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোকে সামরিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইসরাইলি সেনাবাহিনী রাজনৈতিক নেতৃত্বের কাছে একটি পরিকল্পনা জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে, যেখানে সীমান্তবর্তী গ্রামগুলো নিয়ন্ত্রণে নেওয়া এবং ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরও সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তবে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এই কৌশলকে দখলদারিত্ব হিসেবে গণ্য করা হতে পারে।