ঢাকা ০৩:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

বার্নাব্যুতে ১৪ বছরের খরা কাটিয়ে রিয়ালকে হারালো বায়ার্ন

দীর্ঘ ১৪ বছর পর অবশেষে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে জয় পেল বায়ার্ন মিউনিখ। চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ২-১ গোলের গুরুত্বপূর্ণ জয় তুলে নিয়েছে জার্মান জায়ান্টরা। ২০১১-১২ মৌসুমের পর এই প্রথম তারা স্প্যানিশ ক্লাবটিকে হারাতে সক্ষম হলো।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে বায়ার্ন। যদিও বল দখলে তাদের আধিপত্য ছিল সামান্যই (৫২ শতাংশ), বিপরীতে রিয়াল ৪৮ শতাংশ বল নিয়ন্ত্রণে রেখেও আক্রমণে পিছিয়ে ছিল। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, স্বাগতিক রিয়াল মাদ্রিদ ৩১টি শট নিয়ে ১০টি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হলেও, বায়ার্ন ২৩ শটের মধ্যে ৪টি লক্ষ্যে রেখে দুটি গোল আদায় করে নেয়।

প্রথমার্ধে একের পর এক আক্রমণের পর ম্যাচের ৪১তম মিনিটে বায়ার্ন কাঙ্ক্ষিত গোলটি পায়। লুইস দিয়াজ, সার্জে গ্যানাব্রির পাস থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় সফরকারীরা।

বিরতির পর ব্যবধান আরও বাড়ান হ্যারি কেন। ম্যাচের ৪৯তম মিনিটে মাইকেল অলিসের পাস পেয়ে বক্সের কোণা থেকে নিখুঁত শটে জাল কাঁপান এই ইংলিশ স্ট্রাইকার। এটি চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে তার ৪৯তম গোল এবং চ্যাম্পিয়নস লিগে ১১তম।

দুই গোল হজমের পর রিয়াল ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে। কিন্তু বারবার তাদের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়ান বায়ার্নের গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়ার। এমবাপ্পে ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের একাধিক প্রচেষ্টা তিনি দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন। অবশেষে ম্যাচের ৭৪তম মিনিটে ব্যবধান কমায় রিয়াল। ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ডের ক্রস থেকে এমবাপ্পে গোল করে ম্যাচে ফেরার আশা জাগান। তবে শেষ পর্যন্ত আর গোল না হওয়ায় ২-১ ব্যবধানের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে বায়ার্ন। ম্যাচ শেষে হ্যারি কেন বলেন, “আমরা দারুণ খেলেছি। ফিনিশিং আরও ভালো হতে পারত, তবে জয় নিয়ে ফিরতে পেরে ভালো লাগছে।”

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লেবাননের হাসপাতালে ইসরায়েলি বাহিনীর ভয়াবহ হামলা

বার্নাব্যুতে ১৪ বছরের খরা কাটিয়ে রিয়ালকে হারালো বায়ার্ন

আপডেট সময় : ১০:০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

দীর্ঘ ১৪ বছর পর অবশেষে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে জয় পেল বায়ার্ন মিউনিখ। চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ২-১ গোলের গুরুত্বপূর্ণ জয় তুলে নিয়েছে জার্মান জায়ান্টরা। ২০১১-১২ মৌসুমের পর এই প্রথম তারা স্প্যানিশ ক্লাবটিকে হারাতে সক্ষম হলো।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে বায়ার্ন। যদিও বল দখলে তাদের আধিপত্য ছিল সামান্যই (৫২ শতাংশ), বিপরীতে রিয়াল ৪৮ শতাংশ বল নিয়ন্ত্রণে রেখেও আক্রমণে পিছিয়ে ছিল। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, স্বাগতিক রিয়াল মাদ্রিদ ৩১টি শট নিয়ে ১০টি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হলেও, বায়ার্ন ২৩ শটের মধ্যে ৪টি লক্ষ্যে রেখে দুটি গোল আদায় করে নেয়।

প্রথমার্ধে একের পর এক আক্রমণের পর ম্যাচের ৪১তম মিনিটে বায়ার্ন কাঙ্ক্ষিত গোলটি পায়। লুইস দিয়াজ, সার্জে গ্যানাব্রির পাস থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় সফরকারীরা।

বিরতির পর ব্যবধান আরও বাড়ান হ্যারি কেন। ম্যাচের ৪৯তম মিনিটে মাইকেল অলিসের পাস পেয়ে বক্সের কোণা থেকে নিখুঁত শটে জাল কাঁপান এই ইংলিশ স্ট্রাইকার। এটি চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে তার ৪৯তম গোল এবং চ্যাম্পিয়নস লিগে ১১তম।

দুই গোল হজমের পর রিয়াল ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে। কিন্তু বারবার তাদের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়ান বায়ার্নের গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়ার। এমবাপ্পে ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের একাধিক প্রচেষ্টা তিনি দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন। অবশেষে ম্যাচের ৭৪তম মিনিটে ব্যবধান কমায় রিয়াল। ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ডের ক্রস থেকে এমবাপ্পে গোল করে ম্যাচে ফেরার আশা জাগান। তবে শেষ পর্যন্ত আর গোল না হওয়ায় ২-১ ব্যবধানের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে বায়ার্ন। ম্যাচ শেষে হ্যারি কেন বলেন, “আমরা দারুণ খেলেছি। ফিনিশিং আরও ভালো হতে পারত, তবে জয় নিয়ে ফিরতে পেরে ভালো লাগছে।”