ঢাকা ০৫:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

সুপ্রিম কোর্টের জন্য পৃথক সচিবালয় গঠনের নির্দেশ, হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে আগামী তিন মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের জন্য একটি পৃথক ও স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ ১৮৫ পৃষ্ঠার এই ঐতিহাসিক পূর্ণাঙ্গ রায়টি প্রকাশ করেন।

রায়ে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃপক্ষের দেওয়া প্রস্তাবনা অনুযায়ী সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগকে আগামী তিন মাসের মধ্যে এই সচিবালয় কার্যকর করতে হবে। এই রায়ের ফলে অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ, বদলি এবং শৃঙ্খলা বিধানের ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টের হাতে ফিরে আসার পথ সুগম হলো। এর আগে গত বছরের ৩ সেপ্টেম্বর আদালত এই মামলার সংক্ষিপ্ত রায় দিয়েছিলেন, যার বিস্তারিত পর্যবেক্ষণ আজ প্রকাশিত হলো।

আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পৃথক সচিবালয় গঠিত হলে বিচার বিভাগের প্রশাসনিক কাজে নির্বাহী বিভাগের হস্তক্ষেপ কমবে এবং বিচার বিভাগ আরও স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে। দীর্ঘদিনের এই দাবি পূরণে আদালতের এই নির্দেশনা দেশের বিচারিক ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ায় বন্দুক হামলা, গুলিতে ১ জনের মৃত্যু

সুপ্রিম কোর্টের জন্য পৃথক সচিবালয় গঠনের নির্দেশ, হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

আপডেট সময় : ০৮:১৬:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে আগামী তিন মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের জন্য একটি পৃথক ও স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ ১৮৫ পৃষ্ঠার এই ঐতিহাসিক পূর্ণাঙ্গ রায়টি প্রকাশ করেন।

রায়ে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃপক্ষের দেওয়া প্রস্তাবনা অনুযায়ী সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগকে আগামী তিন মাসের মধ্যে এই সচিবালয় কার্যকর করতে হবে। এই রায়ের ফলে অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ, বদলি এবং শৃঙ্খলা বিধানের ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টের হাতে ফিরে আসার পথ সুগম হলো। এর আগে গত বছরের ৩ সেপ্টেম্বর আদালত এই মামলার সংক্ষিপ্ত রায় দিয়েছিলেন, যার বিস্তারিত পর্যবেক্ষণ আজ প্রকাশিত হলো।

আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পৃথক সচিবালয় গঠিত হলে বিচার বিভাগের প্রশাসনিক কাজে নির্বাহী বিভাগের হস্তক্ষেপ কমবে এবং বিচার বিভাগ আরও স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে। দীর্ঘদিনের এই দাবি পূরণে আদালতের এই নির্দেশনা দেশের বিচারিক ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।