ঢাকা ০৮:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

সুরঞ্জিত সেনগুপ্তর জনসভায় গ্রেনেড হামলা: ট্রাইব্যুনালে নিজেদের নির্দোষ দাবি বাবর-আরিফ-গউছের

সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্তর জনসভায় গ্রেনেড হামলার মামলায় আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং সাবেক হুইপ জি কে গউছ। মঙ্গলবার সিলেটের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় জবানবন্দি প্রদানকালে তারা নিজেদের সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করেন।

আদালতে আসামিরা জানান, তৎকালীন সরকার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে হয়রানিমূলকভাবে এই মামলায় তাদের নাম জড়িয়েছে। তারা উল্লেখ করেন যে, ঘটনার পর দায়ের করা মূল এজাহারে তাদের নাম ছিল না, বরং পরবর্তী সময়ে সম্পূরক অভিযোগপত্রের (চার্জশিট) মাধ্যমে তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, মামলায় উপস্থাপিত ৬৭ জন সাক্ষীর কেউই আসামিদের সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা বলেননি। পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে তারা খালাস পাবেন বলে আশা প্রকাশ করছেন।

সিলেটের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আগামী ২১ এপ্রিল মামলার যুক্তিতর্কের তারিখ নির্ধারণ করেছেন। এর মাধ্যমেই দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই বিচার প্রক্রিয়া রায়ের পর্যায়ে পৌঁছাবে। উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২১ জুন দিরাই বাজারে একটি রাজনৈতিক সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। ওই হামলায় একজন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাজেটে ব্যবসায়ীদের জন্য বিশেষ সুবিধা: বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে সরকারের পদক্ষেপ

সুরঞ্জিত সেনগুপ্তর জনসভায় গ্রেনেড হামলা: ট্রাইব্যুনালে নিজেদের নির্দোষ দাবি বাবর-আরিফ-গউছের

আপডেট সময় : ০৭:১০:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্তর জনসভায় গ্রেনেড হামলার মামলায় আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং সাবেক হুইপ জি কে গউছ। মঙ্গলবার সিলেটের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় জবানবন্দি প্রদানকালে তারা নিজেদের সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করেন।

আদালতে আসামিরা জানান, তৎকালীন সরকার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে হয়রানিমূলকভাবে এই মামলায় তাদের নাম জড়িয়েছে। তারা উল্লেখ করেন যে, ঘটনার পর দায়ের করা মূল এজাহারে তাদের নাম ছিল না, বরং পরবর্তী সময়ে সম্পূরক অভিযোগপত্রের (চার্জশিট) মাধ্যমে তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, মামলায় উপস্থাপিত ৬৭ জন সাক্ষীর কেউই আসামিদের সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা বলেননি। পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে তারা খালাস পাবেন বলে আশা প্রকাশ করছেন।

সিলেটের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আগামী ২১ এপ্রিল মামলার যুক্তিতর্কের তারিখ নির্ধারণ করেছেন। এর মাধ্যমেই দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই বিচার প্রক্রিয়া রায়ের পর্যায়ে পৌঁছাবে। উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২১ জুন দিরাই বাজারে একটি রাজনৈতিক সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। ওই হামলায় একজন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছিলেন।