ঢাকা ০৮:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

শিক্ষা মন্ত্রণালয় আমার ইবাদতখানা, শিক্ষার উন্নয়নে নতুন পরিকল্পনা : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে নিজের ইবাদতখানা মনে করেন এবং বিগত সরকার এই খাতকে অবহেলার চোখে দেখেছিল। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বরিশাল শিল্পকলা মিলনায়তনে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড বরিশালের উদ্যোগে কেন্দ্রসচিবদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

শিক্ষামন্ত্রী অভিযোগ করেন, ছাত্র, শিক্ষক বা অভিভাবকের সদিচ্ছার অভাব নয়, বরং অদূরদর্শীতার কারণেই শিক্ষাখাত ধ্বংসের মুখে পড়েছে এবং এর জন্য বিগত সরকারের মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাই দায়বদ্ধ। তিনি উল্লেখ করেন যে, নকল রোধে তিনি অনেক আগেই মন্ত্রণালয় ছেড়েছিলেন, কিন্তু এখন নকলের ধরণ বদলে যাওয়ায় শিক্ষাব্যবস্থারও পরিবর্তন আনতে হবে। অভিন্ন প্রশ্নপত্রের ভিত্তিতে পরীক্ষা নেওয়ার উপর জোর দেন তিনি।

ড. মিলন জানান, সরকার মানসম্মত শিক্ষার উপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং শিক্ষাখাতের অভাব পূরণের জন্য আগামী বাজেটে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি আইন যুগোপযোগী করে অনিয়মকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দেন। ভবিষ্যতে পাবলিক পরীক্ষাগুলো সারাদেশের সকল শিক্ষা বোর্ডে একক প্রশ্নে নেওয়া হবে এবং এমসিকিউ পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আনা হবে বলে জানান তিনি।

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় এবং তাদের মতামত জানার জন্য তিনি দেশব্যাপী সাত দিনের সফরে বের হয়েছেন বলে জানান। তিনি আগামী এক বছরের মধ্যে দেশে নিরক্ষরতা দূর করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং দেশের প্রতিটি বিভাগে একটি করে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়ে সুপারিশ করবেন বলে জানান। আসন্ন পরীক্ষাগুলো সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নে কোনো ধরনের আপস করা হবে না এবং কোনো গাফিলতি বা অনিয়ম ধরা পড়লে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা দেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাজেটে ব্যবসায়ীদের জন্য বিশেষ সুবিধা: বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে সরকারের পদক্ষেপ

শিক্ষা মন্ত্রণালয় আমার ইবাদতখানা, শিক্ষার উন্নয়নে নতুন পরিকল্পনা : শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৭:০৫:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে নিজের ইবাদতখানা মনে করেন এবং বিগত সরকার এই খাতকে অবহেলার চোখে দেখেছিল। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বরিশাল শিল্পকলা মিলনায়তনে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড বরিশালের উদ্যোগে কেন্দ্রসচিবদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

শিক্ষামন্ত্রী অভিযোগ করেন, ছাত্র, শিক্ষক বা অভিভাবকের সদিচ্ছার অভাব নয়, বরং অদূরদর্শীতার কারণেই শিক্ষাখাত ধ্বংসের মুখে পড়েছে এবং এর জন্য বিগত সরকারের মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাই দায়বদ্ধ। তিনি উল্লেখ করেন যে, নকল রোধে তিনি অনেক আগেই মন্ত্রণালয় ছেড়েছিলেন, কিন্তু এখন নকলের ধরণ বদলে যাওয়ায় শিক্ষাব্যবস্থারও পরিবর্তন আনতে হবে। অভিন্ন প্রশ্নপত্রের ভিত্তিতে পরীক্ষা নেওয়ার উপর জোর দেন তিনি।

ড. মিলন জানান, সরকার মানসম্মত শিক্ষার উপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং শিক্ষাখাতের অভাব পূরণের জন্য আগামী বাজেটে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি আইন যুগোপযোগী করে অনিয়মকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দেন। ভবিষ্যতে পাবলিক পরীক্ষাগুলো সারাদেশের সকল শিক্ষা বোর্ডে একক প্রশ্নে নেওয়া হবে এবং এমসিকিউ পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আনা হবে বলে জানান তিনি।

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় এবং তাদের মতামত জানার জন্য তিনি দেশব্যাপী সাত দিনের সফরে বের হয়েছেন বলে জানান। তিনি আগামী এক বছরের মধ্যে দেশে নিরক্ষরতা দূর করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং দেশের প্রতিটি বিভাগে একটি করে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়ে সুপারিশ করবেন বলে জানান। আসন্ন পরীক্ষাগুলো সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নে কোনো ধরনের আপস করা হবে না এবং কোনো গাফিলতি বা অনিয়ম ধরা পড়লে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা দেন।