ঢাকা ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সেতুবন্ধনে ‘জেনটেক’ মডেল: এক নতুন সম্ভাবনা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০০:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

বর্তমান বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে শিক্ষার প্রচলিত ধারণায় আমূল পরিবর্তন আনা জরুরি। কেবল তাত্ত্বিক জ্ঞান বা ডিগ্রি অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সাধারণ শিক্ষার সাথে কর্মমুখী বা কারিগরি শিক্ষার সমন্বয় ঘটানো এখন সময়ের দাবি। গবেষণায় দেখা গেছে, একজন সাধারণ গ্র্যাজুয়েটের কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা যেখানে মাত্র ১৯ শতাংশ, সেখানে ডিগ্রির পাশাপাশি কারিগরি দক্ষতা ও ভাষাগত জ্ঞান যুক্ত করলে সেই সম্ভাবনা ৯১ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। এটি কেবল দেশের অভ্যন্তরীণ শ্রমবাজারেই নয়, বরং বিদেশেও দক্ষ জনশক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশে সহায়ক হবে।

উন্নত বিশ্বের দেশগুলোতে শিক্ষার্থীরা মাধ্যমিক পর্যায় থেকেই নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন বৃত্তিমূলক কাজে দক্ষতা অর্জন করে। আমাদের দেশেও যদি মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ভাষা এবং কারিগরি শিক্ষার সমন্বিত ‘জেনটেক’ (জেনারেল ও টেকনিক্যাল) মডেল চালু করা যায়, তবে ৫ থেকে ১০ বছরের মূল্যবান কর্মঘণ্টা সাশ্রয় করা সম্ভব হবে। এই মডেল বাস্তবায়নে শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন, যা ‘নাইস-৩’ সিস্টেমের মাধ্যমে নিয়মিত তদারকি করা হবে।

প্রাথমিকভাবে হাইস্কুল পর্যায় থেকেই শিক্ষার্থীদের অন্তত দুটি ভাষা এবং একটি কারিগরি বিষয়ে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। উচ্চমাধ্যমিক ও স্নাতক পর্যায়ে এই দক্ষতার স্তর আরও উন্নত করতে হবে। দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার মাধ্যমে একদিকে যেমন রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে, অন্যদিকে দেশের আর্থসামাজিক কাঠামোতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অধ্যাদেশ ও সংস্কার ইস্যুতে সরকারের ইউ-টার্ন

উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সেতুবন্ধনে ‘জেনটেক’ মডেল: এক নতুন সম্ভাবনা

আপডেট সময় : ১১:০০:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

বর্তমান বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে শিক্ষার প্রচলিত ধারণায় আমূল পরিবর্তন আনা জরুরি। কেবল তাত্ত্বিক জ্ঞান বা ডিগ্রি অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সাধারণ শিক্ষার সাথে কর্মমুখী বা কারিগরি শিক্ষার সমন্বয় ঘটানো এখন সময়ের দাবি। গবেষণায় দেখা গেছে, একজন সাধারণ গ্র্যাজুয়েটের কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা যেখানে মাত্র ১৯ শতাংশ, সেখানে ডিগ্রির পাশাপাশি কারিগরি দক্ষতা ও ভাষাগত জ্ঞান যুক্ত করলে সেই সম্ভাবনা ৯১ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। এটি কেবল দেশের অভ্যন্তরীণ শ্রমবাজারেই নয়, বরং বিদেশেও দক্ষ জনশক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশে সহায়ক হবে।

উন্নত বিশ্বের দেশগুলোতে শিক্ষার্থীরা মাধ্যমিক পর্যায় থেকেই নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন বৃত্তিমূলক কাজে দক্ষতা অর্জন করে। আমাদের দেশেও যদি মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ভাষা এবং কারিগরি শিক্ষার সমন্বিত ‘জেনটেক’ (জেনারেল ও টেকনিক্যাল) মডেল চালু করা যায়, তবে ৫ থেকে ১০ বছরের মূল্যবান কর্মঘণ্টা সাশ্রয় করা সম্ভব হবে। এই মডেল বাস্তবায়নে শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন, যা ‘নাইস-৩’ সিস্টেমের মাধ্যমে নিয়মিত তদারকি করা হবে।

প্রাথমিকভাবে হাইস্কুল পর্যায় থেকেই শিক্ষার্থীদের অন্তত দুটি ভাষা এবং একটি কারিগরি বিষয়ে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। উচ্চমাধ্যমিক ও স্নাতক পর্যায়ে এই দক্ষতার স্তর আরও উন্নত করতে হবে। দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার মাধ্যমে একদিকে যেমন রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে, অন্যদিকে দেশের আর্থসামাজিক কাঠামোতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।