বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উপহার দেওয়ার পর ফেরত দেওয়া সেই কালো মানিকের মালিক সোহাগ মৃধাকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার দুপুরে উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের মহিষকাটা বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে পরিবারের দাবি, সোহাগ মৃধা ষড়যন্ত্রের শিকার এবং বাড়ির পাশের একটি ঝামেলাকে কেন্দ্র করে এই ঘটনা ঘটেছে।
সোহাগ মৃধা আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের উত্তর ঝাটিবুনিয়া গ্রামের মৃত বেলায়েত হোসেন মৃধার ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মির্জাগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মোঃ কাওসার আহমেদ। পুলিশ জানায়, সোহাগ মৃধার বিরুদ্ধে মারামারি ও পর্নোগ্রাফি আইনে দুটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে মারামারির মামলায় এক নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি এবং পর্নোগ্রাফি আইনের মামলায় সহযোগী আসামি হিসেবে অভিযুক্ত। এসব মামলার ভিত্তিতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বলেন, সোহাগ মৃধাকে মারামারি ও পর্নোগ্রাফির মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে সোহাগ মৃধা গ্রেপ্তারের পূর্বে জানান, তাদের বাড়ির পাশে পারিবারিক ঝামেলা নিয়ে রুবেল ও মাহিনুর বেগম তার বৃদ্ধ মা রিনা বেগমকে (৬২) মারধর করে। বিষয়টি জেনে রিনা বেগমের ভাই সানোয়ার ও তার চাচা সত্তার হাওলাদার এবং সোহাগ মৃধা ঘটনাস্থলে যান। তারা রিনা বেগমকে কেন মারা হয়েছে সেই প্রশ্ন করলে উভয় গ্রুপের মধ্যে মারামারি হয়। এরপর মাহিনুর বেগম বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন, যেখানে তাকে হয়রানি করা হচ্ছে বলে সোহাগের দাবি।
এদিকে রিনা বেগমকে মারধরের পর তার ছেলে ও মেয়ের বিরুদ্ধে দেওয়া একটি ভিডিও সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘মাইয়া (মাহিনুর) আমাকে বুকে ঘুসি দিছে। এরপর পোলায় পাক্কা মাইররা উঠানে মেলা মারছে। বুকের কাডি দুহান ভাইঙা গেছে। এর আগেও তারা (ছেলে ও মেয়ে) পাঁচ-ছয় বার মারছে। রোজার মাসে ঘর থেকে নামাইয়া দিছে। বাঁশ দিয়ে লড়াইছে। আটটা রোজা চিড়া খাইয়া রইছি’। প্রায় সাত বছর আগে স্থানীয় চৈতা বাজার থেকে একটি ফ্রিজিয়ান জাতের গাভী কেনেন তিনি। সেই গাভীর বাচ্চা হিসেবে জন্ম নেয় কালো মানিক।
রিপোর্টারের নাম 





















