ঢাকা ০৯:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

শ্রীমঙ্গলে প্রস্ফুটিত বিরল নাগলিঙ্গম: মোহনীয় সুবাসে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা

প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের লীলাভূমি শ্রীমঙ্গলে এখন নতুন আকর্ষণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বিরল প্রজাতির নাগলিঙ্গম বৃক্ষ। গাছের প্রধান কাণ্ডজুড়ে থোকায় থোকায় ফুটে থাকা রাজকীয় ফুল আর তার মিষ্টি সুবাসে বিমোহিত হচ্ছেন পর্যটক ও স্থানীয় প্রকৃতিপ্রেমীরা। শ্রীমঙ্গলের বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই) এবং মির্জাপুর ইউনিয়নের একটি ব্যক্তিগত বাগানে এই দুর্লভ বৃক্ষের দেখা মিলেছে।

আমাজন অরণ্যের আদি বাসিন্দা এই নাগলিঙ্গম বৃক্ষটি তার ব্যতিক্রমী গঠনের জন্য বিশ্বজুড়ে সুপরিচিত। সাধারণত গাছের ডালপালায় ফুল ফুটলেও নাগলিঙ্গমের ফুল ও ফল সরাসরি গাছের কাণ্ড থেকে বের হয়। সাপের ফণার মতো আকৃতির এই ফুলের পরাগচক্র এবং গোলাপ ও পদ্মের মিশ্রিত ঘ্রাণ একে এক অনন্য রহস্যময়তা দান করেছে। বিটিআরআই ক্যাম্পাসের বিশাল গাছটি ১৯৯৩ সালে রোপণ করা হয়েছিল, যা এখন ফুলে-ফলে পরিপূর্ণ।

বসন্তের এই সময়ে নাগলিঙ্গম গাছের নিচে ঝরে পড়া পাপড়িগুলো এক অপূর্ব প্রাকৃতিক কার্পেট তৈরি করে। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকরা চা বাগানের সবুজের পাশাপাশি এই বিরল সৌন্দর্য উপভোগ করতে ভিড় করছেন। উদ্ভিদবিজ্ঞানীদের মতে, নাগলিঙ্গম আমাদের দেশের একটি অত্যন্ত দুর্লভ প্রজাতির গাছ, যার সংরক্ষণ ও পরিচর্যা জরুরি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুর সীমান্তে বিজিবির সাহসী পদক্ষেপ: বিএসএফের হুমকির কড়া জবাব, প্রশংসা কুড়াচ্ছে জওয়ানরা

শ্রীমঙ্গলে প্রস্ফুটিত বিরল নাগলিঙ্গম: মোহনীয় সুবাসে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা

আপডেট সময় : ০৫:৪৯:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের লীলাভূমি শ্রীমঙ্গলে এখন নতুন আকর্ষণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বিরল প্রজাতির নাগলিঙ্গম বৃক্ষ। গাছের প্রধান কাণ্ডজুড়ে থোকায় থোকায় ফুটে থাকা রাজকীয় ফুল আর তার মিষ্টি সুবাসে বিমোহিত হচ্ছেন পর্যটক ও স্থানীয় প্রকৃতিপ্রেমীরা। শ্রীমঙ্গলের বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই) এবং মির্জাপুর ইউনিয়নের একটি ব্যক্তিগত বাগানে এই দুর্লভ বৃক্ষের দেখা মিলেছে।

আমাজন অরণ্যের আদি বাসিন্দা এই নাগলিঙ্গম বৃক্ষটি তার ব্যতিক্রমী গঠনের জন্য বিশ্বজুড়ে সুপরিচিত। সাধারণত গাছের ডালপালায় ফুল ফুটলেও নাগলিঙ্গমের ফুল ও ফল সরাসরি গাছের কাণ্ড থেকে বের হয়। সাপের ফণার মতো আকৃতির এই ফুলের পরাগচক্র এবং গোলাপ ও পদ্মের মিশ্রিত ঘ্রাণ একে এক অনন্য রহস্যময়তা দান করেছে। বিটিআরআই ক্যাম্পাসের বিশাল গাছটি ১৯৯৩ সালে রোপণ করা হয়েছিল, যা এখন ফুলে-ফলে পরিপূর্ণ।

বসন্তের এই সময়ে নাগলিঙ্গম গাছের নিচে ঝরে পড়া পাপড়িগুলো এক অপূর্ব প্রাকৃতিক কার্পেট তৈরি করে। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকরা চা বাগানের সবুজের পাশাপাশি এই বিরল সৌন্দর্য উপভোগ করতে ভিড় করছেন। উদ্ভিদবিজ্ঞানীদের মতে, নাগলিঙ্গম আমাদের দেশের একটি অত্যন্ত দুর্লভ প্রজাতির গাছ, যার সংরক্ষণ ও পরিচর্যা জরুরি।