ঢাকা ১০:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

ব্যারিস্টার আহসানের বিরুদ্ধে অবশেষে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি, পারিবারিক নির্যাতন ও প্রতারণার অভিযোগ

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহ-সম্পাদক ব্যারিস্টার আহসান হাবিব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে অবশেষে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। রোববার (৫ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন এই আদেশ দেন। আদালতে হাজির না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে এই পরোয়ানা জারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী রিদওয়ান হোসেন রবিন।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, আয়েশা আতিক নামের এক নারীর সঙ্গে পারিবারিকভাবে অনভিমত থাকা অবস্থায় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন আহসান হাবিব। অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর আয়েশা আহসান হাবিবের পরিবারের সঙ্গে বসবাস শুরু করেন এবং সেখানে তিনি স্বামীর একাধিক নারীর সঙ্গে মেলামেশার বিষয়টি বুঝতে পারেন। সন্তান প্রসবের জন্য আয়েশা ব্যাংককে গেলে সেখানে তাদের পুত্রসন্তানের জন্ম হয়। সুস্থ হয়ে ঢাকায় ফেরার পর থেকে আহসান হাবিবের পরিবার আয়েশার উপর মানসিক নির্যাতন শুরু করে।

আয়েশাকে দুগ্ধপোষ্য সন্তানসহ বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় এবং তার গহনা, ক্যামেরা ও মূল্যবান জিনিসপত্র রেখে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আয়েশা জানতে পারেন যে তাকে পাগল সাজিয়ে সন্তানের সম্পূর্ণ কাস্টডি নেওয়ার চেষ্টা করছেন আহসান হাবিব। এই পরিস্থিতিতে আয়েশা আহসান হাবিবকে তালাকের নোটিশ দেন। নোটিশ পেয়ে আহসান হাবিব দাম্পত্য জীবন পুনরুদ্ধারের জন্য পারিবারিক আদালতে মামলা করেন।

এদিকে, আহসান হাবিব ব্যাংককে অবস্থান করে একটি মানসিক রোগের সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে আদালতে দাখিল করেন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আয়েশার বাবা ব্রিগেডিয়ার (অব.) শাহ আতিকুর রহমান গত বছরের ১৬ অক্টোবর আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন, যেখানে তিনি পুরো ঘটনা বিস্তারিত উল্লেখ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্পিকারের ‘শাহবাগ স্কয়ার’ মন্তব্য: সংসদে বৈষম্যের অভিযোগ হাসনাত আবদুল্লাহর

ব্যারিস্টার আহসানের বিরুদ্ধে অবশেষে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি, পারিবারিক নির্যাতন ও প্রতারণার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৯:৩২:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহ-সম্পাদক ব্যারিস্টার আহসান হাবিব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে অবশেষে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। রোববার (৫ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন এই আদেশ দেন। আদালতে হাজির না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে এই পরোয়ানা জারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী রিদওয়ান হোসেন রবিন।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, আয়েশা আতিক নামের এক নারীর সঙ্গে পারিবারিকভাবে অনভিমত থাকা অবস্থায় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন আহসান হাবিব। অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর আয়েশা আহসান হাবিবের পরিবারের সঙ্গে বসবাস শুরু করেন এবং সেখানে তিনি স্বামীর একাধিক নারীর সঙ্গে মেলামেশার বিষয়টি বুঝতে পারেন। সন্তান প্রসবের জন্য আয়েশা ব্যাংককে গেলে সেখানে তাদের পুত্রসন্তানের জন্ম হয়। সুস্থ হয়ে ঢাকায় ফেরার পর থেকে আহসান হাবিবের পরিবার আয়েশার উপর মানসিক নির্যাতন শুরু করে।

আয়েশাকে দুগ্ধপোষ্য সন্তানসহ বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় এবং তার গহনা, ক্যামেরা ও মূল্যবান জিনিসপত্র রেখে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আয়েশা জানতে পারেন যে তাকে পাগল সাজিয়ে সন্তানের সম্পূর্ণ কাস্টডি নেওয়ার চেষ্টা করছেন আহসান হাবিব। এই পরিস্থিতিতে আয়েশা আহসান হাবিবকে তালাকের নোটিশ দেন। নোটিশ পেয়ে আহসান হাবিব দাম্পত্য জীবন পুনরুদ্ধারের জন্য পারিবারিক আদালতে মামলা করেন।

এদিকে, আহসান হাবিব ব্যাংককে অবস্থান করে একটি মানসিক রোগের সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে আদালতে দাখিল করেন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আয়েশার বাবা ব্রিগেডিয়ার (অব.) শাহ আতিকুর রহমান গত বছরের ১৬ অক্টোবর আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন, যেখানে তিনি পুরো ঘটনা বিস্তারিত উল্লেখ করেন।