দেশের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতির হার মার্চ মাসে কিছুটা কমে এসেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাসটিতে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে সাধারণ মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৭১ শতাংশে, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। গত বছরের একই সময়ের তুলনায়ও মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা কমতির দিকে রয়েছে।
মূল্যস্ফীতি হ্রাসের পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে খাদ্য খাতে মূল্যচাপ কমার কথা বলা হচ্ছে। মার্চ মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ২৪ শতাংশে নেমে এসেছে, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ। এক বছর আগে একই সময়ে এই হার ছিল ৮ দশমিক ৯৩ শতাংশ। বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে তুলনামূলক স্থিতিশীলতা আসায় এই খাতে স্বস্তির ইঙ্গিত মিলেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে খাদ্যবহির্ভূত বা নন-ফুড খাতে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। মার্চে এ খাতে মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে ৯ দশমিক ০৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা আগের মাসে ছিল ৯ দশমিক ০১ শতাংশ। যদিও গত বছরের মার্চে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৭০ শতাংশ। অর্থনীতিবিদদের মতে, খাদ্যপণ্যের দামে কিছুটা স্বস্তি এলেও বাড়ি ভাড়া, পরিবহন, জ্বালানি ও অন্যান্য সেবামূল্যের চাপ এখনও পুরোপুরি কমেনি, ফলে খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে।
সার্বিকভাবে মূল্যস্ফীতির হার কমার প্রবণতা অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক বার্তা দিলেও সাধারণ মানুষের ব্যয়ভার এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। বিশেষ করে স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য জীবনযাত্রার খরচ তুলনামূলক বেশি থাকায় বাস্তব স্বস্তি পেতে আরও সময় লাগতে পারে বলে বিশ্লেষকদের অভিমত।
রিপোর্টারের নাম 
























