ঢাকা ০৫:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

শাবিপ্রবিতে নির্মাণাধীন ভবনে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমিকের মৃত্যু

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) নির্মাণাধীন একটি ১০তলা ছাত্রীহলে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত শ্রমিকের নাম মো. হাসান মিয়া, যার বাড়ি ভোলা জেলার পাইঙ্গাসা এলাকায়। শনিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্প-২ এর আওতায় নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

হাসান মিয়া ওই ভবনের নির্মাণকাজের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘দেশ উন্নয়ন কোম্পানি’র টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বিদ্যুৎ লাইনের কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী এ ধরনের দুর্ঘটনার দায়ভার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকেই বহন করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী জানিয়েছেন, আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

জালালাবাদ থানা পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের পরিবার ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান উভয়ই ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ হস্তান্তরের আবেদন জানিয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি সাপেক্ষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এই ঘটনায় ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ও শ্রমিকদের কর্মপরিবেশ নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরায়েলের ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

শাবিপ্রবিতে নির্মাণাধীন ভবনে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমিকের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৪:৪৯:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) নির্মাণাধীন একটি ১০তলা ছাত্রীহলে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত শ্রমিকের নাম মো. হাসান মিয়া, যার বাড়ি ভোলা জেলার পাইঙ্গাসা এলাকায়। শনিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্প-২ এর আওতায় নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

হাসান মিয়া ওই ভবনের নির্মাণকাজের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘দেশ উন্নয়ন কোম্পানি’র টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বিদ্যুৎ লাইনের কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী এ ধরনের দুর্ঘটনার দায়ভার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকেই বহন করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী জানিয়েছেন, আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

জালালাবাদ থানা পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের পরিবার ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান উভয়ই ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ হস্তান্তরের আবেদন জানিয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি সাপেক্ষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এই ঘটনায় ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ও শ্রমিকদের কর্মপরিবেশ নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।