ঢাকা ০৮:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও ফুলবাড়ীতে গড়ে ওঠেনি হিমাগার, বিপাকে কয়েক হাজার আলুচাষি

কুড়িগ্রামের সীমান্তবর্তী উপজেলা ফুলবাড়ীতে স্বাধীনতার সাড়ে পাঁচ দশক পেরিয়ে গেলেও এখনো কোনো হিমাগার গড়ে ওঠেনি। ফলে প্রতি বছর আলুর বাম্পার ফলন হলেও তা সংরক্ষণের অভাবে ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন স্থানীয় কৃষকরা। হিমাগারের অভাবে উৎপাদিত ফসল নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন এই অঞ্চলের কয়েক হাজার প্রান্তিক চাষি।

স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ফুলবাড়ীর মাটি আলু ও সবজি চাষের জন্য অত্যন্ত উর্বর হলেও সংরক্ষণের সুব্যবস্থা না থাকায় তারা লোকসানের মুখে পড়ছেন। বর্তমানে ফসল সংরক্ষণের জন্য তাদের ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে কুড়িগ্রাম সদর বা লালমনিরহাট জেলায় যেতে হয়। এতে পরিবহন খরচসহ প্রতি বস্তা আলু সংরক্ষণে অতিরিক্ত প্রায় ৪০০ টাকা ব্যয় হচ্ছে, যা অনেক ক্ষুদ্র কৃষকের পক্ষে বহন করা সম্ভব হচ্ছে না।

উপজেলার প্রান্তিক চাষিরা অভিযোগ করেন, উৎপাদন খরচের চেয়ে বর্তমান বাজারমূল্য অনেক কম হওয়ায় তারা পুঁজি হারাচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়ভাবে হিমাগার স্থাপনের দাবি জানিয়ে আসলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এই সংকট নিরসনে দ্রুত হিমাগার স্থাপন এবং উৎপাদিত কৃষিপণ্য বিদেশে রপ্তানির ব্যবস্থা করার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী কৃষকরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পারমাণবিক ইস্যু অজুহাত, যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইরান

স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও ফুলবাড়ীতে গড়ে ওঠেনি হিমাগার, বিপাকে কয়েক হাজার আলুচাষি

আপডেট সময় : ০৩:৪৬:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

কুড়িগ্রামের সীমান্তবর্তী উপজেলা ফুলবাড়ীতে স্বাধীনতার সাড়ে পাঁচ দশক পেরিয়ে গেলেও এখনো কোনো হিমাগার গড়ে ওঠেনি। ফলে প্রতি বছর আলুর বাম্পার ফলন হলেও তা সংরক্ষণের অভাবে ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন স্থানীয় কৃষকরা। হিমাগারের অভাবে উৎপাদিত ফসল নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন এই অঞ্চলের কয়েক হাজার প্রান্তিক চাষি।

স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ফুলবাড়ীর মাটি আলু ও সবজি চাষের জন্য অত্যন্ত উর্বর হলেও সংরক্ষণের সুব্যবস্থা না থাকায় তারা লোকসানের মুখে পড়ছেন। বর্তমানে ফসল সংরক্ষণের জন্য তাদের ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে কুড়িগ্রাম সদর বা লালমনিরহাট জেলায় যেতে হয়। এতে পরিবহন খরচসহ প্রতি বস্তা আলু সংরক্ষণে অতিরিক্ত প্রায় ৪০০ টাকা ব্যয় হচ্ছে, যা অনেক ক্ষুদ্র কৃষকের পক্ষে বহন করা সম্ভব হচ্ছে না।

উপজেলার প্রান্তিক চাষিরা অভিযোগ করেন, উৎপাদন খরচের চেয়ে বর্তমান বাজারমূল্য অনেক কম হওয়ায় তারা পুঁজি হারাচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়ভাবে হিমাগার স্থাপনের দাবি জানিয়ে আসলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এই সংকট নিরসনে দ্রুত হিমাগার স্থাপন এবং উৎপাদিত কৃষিপণ্য বিদেশে রপ্তানির ব্যবস্থা করার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী কৃষকরা।