ঢাকা ০৯:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

হস্তশিল্প ও খামারে ভাগ্য বদলেছেন জরিনা: সিরাজগঞ্জের এক সংগ্রামী নারীর সফলতার গল্প

কঠোর পরিশ্রম আর অদম্য ইচ্ছাশক্তির মাধ্যমে নিজের ভাগ্য বদলে দিয়েছেন সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার জরিনা খাতুন। হস্তশিল্প এবং মুরগির হ্যাচারি স্থাপনের মাধ্যমে তিনি আজ একজন সফল উদ্যোক্তা। শুধু নিজে স্বাবলম্বী হওয়া নয়, বরং তাঁর প্রতিষ্ঠানে কাজ করে এখন অনেক অসহায় মানুষের জীবিকা নির্বাহ হচ্ছে।

পারিবারিক অভাব-অনটনের কারণে পঞ্চম শ্রেণির পর পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাওয়া জরিনার জীবন ছিল যুদ্ধময়। মাত্র ১৬ বছর বয়সে বিয়ে হলেও যমুনার ভাঙনে বসতভিটা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েন তিনি। পরবর্তীতে স্বামীর অকাল মৃত্যুতে দুই সন্তানকে নিয়ে অথৈ সাগরে পড়েন এই নারী। তবে ভেঙে না পড়ে তিনি বাবার বাড়িতে থেকে সেলাই ও হস্তশিল্পের কাজ শুরু করেন এবং তিল তিল করে গড়ে তোলেন নিজের ছোট একটি ব্যবসা।

ভবিষ্যতে কোয়েল পাখির খামার করার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে জরিনা বলেন, সরকারি বা বেসরকারি সহযোগিতা পেলে তিনি তাঁর ব্যবসাকে আরও বড় করতে চান। কাজিপুর উপজেলা প্রশাসন ও মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তর জরিনার এই সংগ্রামকে অন্য নারীদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখছে এবং তাঁকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও ঋণ সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুর সীমান্তে বিজিবির সাহসী পদক্ষেপ: বিএসএফের হুমকির কড়া জবাব, প্রশংসা কুড়াচ্ছে জওয়ানরা

হস্তশিল্প ও খামারে ভাগ্য বদলেছেন জরিনা: সিরাজগঞ্জের এক সংগ্রামী নারীর সফলতার গল্প

আপডেট সময় : ১১:০২:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

কঠোর পরিশ্রম আর অদম্য ইচ্ছাশক্তির মাধ্যমে নিজের ভাগ্য বদলে দিয়েছেন সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার জরিনা খাতুন। হস্তশিল্প এবং মুরগির হ্যাচারি স্থাপনের মাধ্যমে তিনি আজ একজন সফল উদ্যোক্তা। শুধু নিজে স্বাবলম্বী হওয়া নয়, বরং তাঁর প্রতিষ্ঠানে কাজ করে এখন অনেক অসহায় মানুষের জীবিকা নির্বাহ হচ্ছে।

পারিবারিক অভাব-অনটনের কারণে পঞ্চম শ্রেণির পর পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাওয়া জরিনার জীবন ছিল যুদ্ধময়। মাত্র ১৬ বছর বয়সে বিয়ে হলেও যমুনার ভাঙনে বসতভিটা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েন তিনি। পরবর্তীতে স্বামীর অকাল মৃত্যুতে দুই সন্তানকে নিয়ে অথৈ সাগরে পড়েন এই নারী। তবে ভেঙে না পড়ে তিনি বাবার বাড়িতে থেকে সেলাই ও হস্তশিল্পের কাজ শুরু করেন এবং তিল তিল করে গড়ে তোলেন নিজের ছোট একটি ব্যবসা।

ভবিষ্যতে কোয়েল পাখির খামার করার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে জরিনা বলেন, সরকারি বা বেসরকারি সহযোগিতা পেলে তিনি তাঁর ব্যবসাকে আরও বড় করতে চান। কাজিপুর উপজেলা প্রশাসন ও মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তর জরিনার এই সংগ্রামকে অন্য নারীদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখছে এবং তাঁকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও ঋণ সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে।