ঢাকা ০৯:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

ইরানের আকাশসীমায় মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত: সামরিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন

এক মাসেরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি বিমান হামলার পরও ইরানের সামরিক বাহিনী শক্তিশালী অবস্থান ধরে রেখেছে। গত শুক্রবার দেশটির বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানসহ দুটি উন্নত যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে বলে দাবি করেছে। এই ঘটনা ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সামরিক সক্ষমতা জোরদার করছে বলে মনে করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলা শুরুর পর এটি তৃতীয়বার ইরান এফ-৩৫ ভূপাতিত করার দাবি করল। তেহরান এর আগে ২৩ মার্চ এবং ২ এপ্রিলও একই দাবি করেছিল, তবে আগের দুটি দাবিই মার্কিন বাহিনী অস্বীকার করে। ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের মুখপাত্র ইব্রাহিম জুলফাগারি শুক্রবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে, এটি সত্য নয়। মার্কিন বিমান ভূপাতিত হওয়ার ঘটনাটি তার প্রমাণ।

ইরানের গণমাধ্যম জানায়, দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীর আঘাতে একটি মার্কিন এ-১০ ওয়ার্থগ যুদ্ধবিমান হরমুজ প্রণালিতে বিধ্বস্ত হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা অবশ্য জানিয়েছেন, শুক্রবার ইরান একটি মার্কিন এফ-১৫-ই স্ট্রাইক ইগল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে। এতে একজন সেনা সদস্যকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং আরেকজন নিখোঁজ রয়েছেন। পাইলটের খোঁজে এখনো উদ্ধার অভিযান চলছে। ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সি একটি মার্কিন জেটের ধ্বংসাবশেষের ছবি প্রকাশ করে বলেছে, পাইলটের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম।

ইরানের স্থানীয় চ্যানেলের সংবাদে বলা হয়, ভূপাতিত মার্কিন যুদ্ধবিমানের পাইলটকে খুঁজে বের করতে সামরিক বাহিনী তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে। কেউ যদি শত্রু পাইলটকে জীবিত ধরে সামরিক বাহিনীর হাতে তুলে দেয়, তবে তাকে মূল্যবান পুরস্কার দেওয়া হবে। ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নির্দিষ্ট অস্ত্রের নাম প্রকাশ না করলেও বিশ্লেষকদের ধারণা, এটি ভূমি থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য মাজিদ এডি-০৮ ক্ষেপণাস্ত্র হতে পারে, যা শনাক্ত করা অত্যন্ত কঠিন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুর সীমান্তে বিজিবির সাহসী পদক্ষেপ: বিএসএফের হুমকির কড়া জবাব, প্রশংসা কুড়াচ্ছে জওয়ানরা

ইরানের আকাশসীমায় মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত: সামরিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন

আপডেট সময় : ০৮:৪৮:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

এক মাসেরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি বিমান হামলার পরও ইরানের সামরিক বাহিনী শক্তিশালী অবস্থান ধরে রেখেছে। গত শুক্রবার দেশটির বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানসহ দুটি উন্নত যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে বলে দাবি করেছে। এই ঘটনা ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সামরিক সক্ষমতা জোরদার করছে বলে মনে করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলা শুরুর পর এটি তৃতীয়বার ইরান এফ-৩৫ ভূপাতিত করার দাবি করল। তেহরান এর আগে ২৩ মার্চ এবং ২ এপ্রিলও একই দাবি করেছিল, তবে আগের দুটি দাবিই মার্কিন বাহিনী অস্বীকার করে। ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের মুখপাত্র ইব্রাহিম জুলফাগারি শুক্রবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে, এটি সত্য নয়। মার্কিন বিমান ভূপাতিত হওয়ার ঘটনাটি তার প্রমাণ।

ইরানের গণমাধ্যম জানায়, দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীর আঘাতে একটি মার্কিন এ-১০ ওয়ার্থগ যুদ্ধবিমান হরমুজ প্রণালিতে বিধ্বস্ত হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা অবশ্য জানিয়েছেন, শুক্রবার ইরান একটি মার্কিন এফ-১৫-ই স্ট্রাইক ইগল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে। এতে একজন সেনা সদস্যকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং আরেকজন নিখোঁজ রয়েছেন। পাইলটের খোঁজে এখনো উদ্ধার অভিযান চলছে। ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সি একটি মার্কিন জেটের ধ্বংসাবশেষের ছবি প্রকাশ করে বলেছে, পাইলটের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম।

ইরানের স্থানীয় চ্যানেলের সংবাদে বলা হয়, ভূপাতিত মার্কিন যুদ্ধবিমানের পাইলটকে খুঁজে বের করতে সামরিক বাহিনী তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে। কেউ যদি শত্রু পাইলটকে জীবিত ধরে সামরিক বাহিনীর হাতে তুলে দেয়, তবে তাকে মূল্যবান পুরস্কার দেওয়া হবে। ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নির্দিষ্ট অস্ত্রের নাম প্রকাশ না করলেও বিশ্লেষকদের ধারণা, এটি ভূমি থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য মাজিদ এডি-০৮ ক্ষেপণাস্ত্র হতে পারে, যা শনাক্ত করা অত্যন্ত কঠিন।