ঢাকা ১১:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের হামলায় কুয়েতে মার্কিন চিনুক হেলিকপ্টার ক্ষতিগ্রস্ত, ‘অন্ধকার দিন’ বলে আখ্যা

কুয়েতে অবস্থানরত একটি মার্কিন সিএইচ-৪৭ চিনুক হেলিকপ্টার ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। গত ৩ এপ্রিলের এই হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হেলিকপ্টারটির ছবি ইরানের রাষ্ট্রঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম তাসনিম প্রকাশ করেছে, যা ঘটনাটির দৃশ্যমান প্রমাণ হিসেবে দেখানো হয়েছে।

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) শুক্রবার রাতে এক বিবৃতিতে দাবি করেছে যে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিট একদিনে একটি যুদ্ধবিমান এবং পাঁচটি ড্রোন বা ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে। তারা এই ঘটনাকে মার্কিন ও ইসরাইলের বিমানবাহিনীর জন্য একটি ‘অন্ধকার দিন’ বলে উল্লেখ করেছে।

সংঘাতের প্রেক্ষাপট হিসেবে বলা হচ্ছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনি, কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা এবং বেসামরিক ব্যক্তিদের হত্যার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে বড় পরিসরের সামরিক অভিযান শুরু করে। এই হামলায় ইরানজুড়ে সামরিক ও বেসামরিক উভয় স্থানেই ব্যাপক বিমান হামলা চালানো হয়েছে, যার ফলে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে এবং অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এর জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীও পাল্টা হামলা চালিয়ে আসছে। তারা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অবস্থান এবং আঞ্চলিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে বলে জানিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাম্পে তেল নেই, জমিতে পানি নেই: রংপুরের বোরো ক্ষেত ফেটে চৌচির, দিশেহারা কৃষক

ইরানের হামলায় কুয়েতে মার্কিন চিনুক হেলিকপ্টার ক্ষতিগ্রস্ত, ‘অন্ধকার দিন’ বলে আখ্যা

আপডেট সময় : ১১:২৭:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

কুয়েতে অবস্থানরত একটি মার্কিন সিএইচ-৪৭ চিনুক হেলিকপ্টার ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। গত ৩ এপ্রিলের এই হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হেলিকপ্টারটির ছবি ইরানের রাষ্ট্রঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম তাসনিম প্রকাশ করেছে, যা ঘটনাটির দৃশ্যমান প্রমাণ হিসেবে দেখানো হয়েছে।

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) শুক্রবার রাতে এক বিবৃতিতে দাবি করেছে যে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিট একদিনে একটি যুদ্ধবিমান এবং পাঁচটি ড্রোন বা ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে। তারা এই ঘটনাকে মার্কিন ও ইসরাইলের বিমানবাহিনীর জন্য একটি ‘অন্ধকার দিন’ বলে উল্লেখ করেছে।

সংঘাতের প্রেক্ষাপট হিসেবে বলা হচ্ছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনি, কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা এবং বেসামরিক ব্যক্তিদের হত্যার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে বড় পরিসরের সামরিক অভিযান শুরু করে। এই হামলায় ইরানজুড়ে সামরিক ও বেসামরিক উভয় স্থানেই ব্যাপক বিমান হামলা চালানো হয়েছে, যার ফলে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে এবং অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এর জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীও পাল্টা হামলা চালিয়ে আসছে। তারা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অবস্থান এবং আঞ্চলিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে বলে জানিয়েছে।