ঢাকা ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

ইমনের ঝড়ো ব্যাটিং ও মুস্তাফিজের কিপটে বোলিংয়ে লাহোরের জয়

পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) লাহোর কালান্দার্স ব্যাট এবং বল হাতে অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখিয়ে মুলতান সুলতানসকে ২০ রানে পরাজিত করেছে। পারভেজ হোসেন ইমনের বিধ্বংসী ব্যাটিং এবং মুস্তাফিজুর রহমানের গুরুত্বপূর্ণ উইকেট প্রাপ্তি এই জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে। বৃষ্টিবিঘ্নিত এই ম্যাচটি ১৩ ওভারে নামিয়ে আনা হয়েছিল।

টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে লাহোরের দুই ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম এবং পারভেজ ইমন শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং করেন। মাত্র ৫.১ ওভারে তারা ৮৬ রানের এক বিধ্বংসী জুটি গড়েন। বিশেষ করে ইমন মাত্র সাত বলের ব্যবধানে পাঁচটি ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। তিনি ১৯ বলে ৪৫ রান করেন, যার মধ্যে ছিল ৫টি ছক্কা ও ২টি চার। ইমনের বিদায়ের পরও নাঈম এবং আব্দুল্লাহ শফিক রানের গতি বজায় রাখেন। নাঈম ২৮ বলে ৬০ রান এবং শফিক ১৪ বলে ৩৩ রান যোগ করেন। নির্ধারিত ১৩ ওভারে লাহোর ১৮৫ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায়।

১৮৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে মুলতান সুলতানস শুরু থেকেই চাপের মুখে পড়ে। ১৮ রানের মধ্যে স্টিভেন স্মিথ এবং জশ ফিলিপ ফিরে যান। সাহিবজাদা ফারহান কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও তাকে ফিরিয়ে দেন বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। মুস্তাফিজ ৩ ওভার বল করে ৩৭ রান দিয়ে দুটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নেন। তার কিপটে বোলিংয়ে মুলতান চাপের মুখে পড়ে এবং ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ লাহোরের হাতে চলে যায়। এছাড়াও, শাহিন আফ্রিদি, উবাইদ শাহ এবং সিকান্দার রাজাও একটি করে উইকেট শিকার করেন। মুলতানের হয়ে শেষ দিকে অ্যাশটন টার্নার ২২ বলে অপরাজিত ৫২ রানের এক লড়াকু ইনিংস খেলেন। তবে অন্য কোনো ব্যাটসম্যানের দৃঢ়তা না থাকায় মুলতান ১৩ ওভারে ৫ উইকেটে ১৬৫ রানেই থামে। এই জয়ে লাহোর কালান্দার্স পয়েন্ট টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বার কাউন্সিল পরীক্ষায় ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের জন্য বৈষম্য দূর করার আহ্বান আইনমন্ত্রীর

ইমনের ঝড়ো ব্যাটিং ও মুস্তাফিজের কিপটে বোলিংয়ে লাহোরের জয়

আপডেট সময় : ০৯:৫৪:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) লাহোর কালান্দার্স ব্যাট এবং বল হাতে অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখিয়ে মুলতান সুলতানসকে ২০ রানে পরাজিত করেছে। পারভেজ হোসেন ইমনের বিধ্বংসী ব্যাটিং এবং মুস্তাফিজুর রহমানের গুরুত্বপূর্ণ উইকেট প্রাপ্তি এই জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে। বৃষ্টিবিঘ্নিত এই ম্যাচটি ১৩ ওভারে নামিয়ে আনা হয়েছিল।

টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে লাহোরের দুই ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম এবং পারভেজ ইমন শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং করেন। মাত্র ৫.১ ওভারে তারা ৮৬ রানের এক বিধ্বংসী জুটি গড়েন। বিশেষ করে ইমন মাত্র সাত বলের ব্যবধানে পাঁচটি ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। তিনি ১৯ বলে ৪৫ রান করেন, যার মধ্যে ছিল ৫টি ছক্কা ও ২টি চার। ইমনের বিদায়ের পরও নাঈম এবং আব্দুল্লাহ শফিক রানের গতি বজায় রাখেন। নাঈম ২৮ বলে ৬০ রান এবং শফিক ১৪ বলে ৩৩ রান যোগ করেন। নির্ধারিত ১৩ ওভারে লাহোর ১৮৫ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায়।

১৮৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে মুলতান সুলতানস শুরু থেকেই চাপের মুখে পড়ে। ১৮ রানের মধ্যে স্টিভেন স্মিথ এবং জশ ফিলিপ ফিরে যান। সাহিবজাদা ফারহান কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও তাকে ফিরিয়ে দেন বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। মুস্তাফিজ ৩ ওভার বল করে ৩৭ রান দিয়ে দুটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নেন। তার কিপটে বোলিংয়ে মুলতান চাপের মুখে পড়ে এবং ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ লাহোরের হাতে চলে যায়। এছাড়াও, শাহিন আফ্রিদি, উবাইদ শাহ এবং সিকান্দার রাজাও একটি করে উইকেট শিকার করেন। মুলতানের হয়ে শেষ দিকে অ্যাশটন টার্নার ২২ বলে অপরাজিত ৫২ রানের এক লড়াকু ইনিংস খেলেন। তবে অন্য কোনো ব্যাটসম্যানের দৃঢ়তা না থাকায় মুলতান ১৩ ওভারে ৫ উইকেটে ১৬৫ রানেই থামে। এই জয়ে লাহোর কালান্দার্স পয়েন্ট টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে।