ঢাকা ১২:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

শৃঙ্খলার দৃষ্টান্ত: লিফটের সারিতে মন্ত্রী, বললেন ‘আইন মানলে পরিবর্তন হবে দেশ’

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৮:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে প্রবেশের সময় এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি অন্য সবার মতো লিফটে ওঠার জন্য নিয়ম মেনে সারিতে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করেন। মন্ত্রীর এই আচরণ উপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

মন্ত্রণালয়ে প্রবেশের আগে মন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা যদি ছোট ছোট বিষয়েও আইন মেনে চলি, তাহলে দেশে পরিবর্তন আসতে বাধ্য। শৃঙ্খলা ও নিয়ম মানার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে পারলেই একটি উন্নত ও দায়িত্বশীল সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।” তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, সরকারি দপ্তরে কর্মরত সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। এতে কর্মপরিবেশ আরও সুশৃঙ্খল হবে এবং জনসেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সরকারি দপ্তরে প্রচলিত কিছু ভিন্নধর্মী চর্চার বিপরীতে মন্ত্রীর এমন আচরণ একটি নতুন বার্তা বহন করে। অনেকেই এটিকে সাধারণ মনে হলেও তাৎপর্যপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন, যা প্রশাসনে শৃঙ্খলা ও সমতার সংস্কৃতি জোরদারে সহায়ক হতে পারে। তাদের মতে, ঊর্ধ্বতন পর্যায় থেকে এ ধরনের আচরণিক পরিবর্তন শুরু হলে তা দ্রুতই প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এর ফলে কর্মক্ষেত্রে সমতা, দায়বদ্ধতা ও পারস্পরিক সম্মানবোধ আরও সুদৃঢ় হবে। মন্ত্রীর এই উদ্যোগকে অনেকেই ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন, যা ভবিষ্যতে সরকারি দপ্তরে নিয়ম মেনে চলার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবন: মাটির নিচে অত্যাধুনিক বাংকার ও টানেল নির্মাণের পরিকল্পনা

শৃঙ্খলার দৃষ্টান্ত: লিফটের সারিতে মন্ত্রী, বললেন ‘আইন মানলে পরিবর্তন হবে দেশ’

আপডেট সময় : ০২:১৮:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে প্রবেশের সময় এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি অন্য সবার মতো লিফটে ওঠার জন্য নিয়ম মেনে সারিতে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করেন। মন্ত্রীর এই আচরণ উপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

মন্ত্রণালয়ে প্রবেশের আগে মন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা যদি ছোট ছোট বিষয়েও আইন মেনে চলি, তাহলে দেশে পরিবর্তন আসতে বাধ্য। শৃঙ্খলা ও নিয়ম মানার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে পারলেই একটি উন্নত ও দায়িত্বশীল সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।” তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, সরকারি দপ্তরে কর্মরত সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। এতে কর্মপরিবেশ আরও সুশৃঙ্খল হবে এবং জনসেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সরকারি দপ্তরে প্রচলিত কিছু ভিন্নধর্মী চর্চার বিপরীতে মন্ত্রীর এমন আচরণ একটি নতুন বার্তা বহন করে। অনেকেই এটিকে সাধারণ মনে হলেও তাৎপর্যপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন, যা প্রশাসনে শৃঙ্খলা ও সমতার সংস্কৃতি জোরদারে সহায়ক হতে পারে। তাদের মতে, ঊর্ধ্বতন পর্যায় থেকে এ ধরনের আচরণিক পরিবর্তন শুরু হলে তা দ্রুতই প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এর ফলে কর্মক্ষেত্রে সমতা, দায়বদ্ধতা ও পারস্পরিক সম্মানবোধ আরও সুদৃঢ় হবে। মন্ত্রীর এই উদ্যোগকে অনেকেই ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন, যা ভবিষ্যতে সরকারি দপ্তরে নিয়ম মেনে চলার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।