ঢাকা ০৩:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

ভিক্ষুক পুনর্বাসনে অভিনব উদ্যোগ: দোকানঘর ও পুঁজি দিয়ে স্বাবলম্বী করার প্রয়াস

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় নদীভাঙন কবলিত চরাঞ্চলের অসহায় ও ভূমিহীন ভিক্ষুকদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এই মহৎ কর্মের নেতৃত্ব দিচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

সোমবার কেতকির হাট এলাকায় আব্দুল গফুর নামে এক ভিক্ষুককে দোকানঘর নির্মাণ করে দিয়ে এবং তার ব্যবসায়িক পুঁজি হিসেবে মনোহারি পণ্যের সামগ্রী তুলে দেওয়ার মাধ্যমে এই বিশেষ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা, পল্লী বিমোচন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

ইউএনও মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ভিক্ষুকদের পুনর্বাসনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে এবং এই প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে তিনজন ভিক্ষুককে নির্বাচন করা হয়েছে। আব্দুল গফুরের মাধ্যমে এই কার্যক্রমের সূচনা হয়েছে, যেখানে তাকে একটি দোকানঘর এবং প্রয়োজনীয় মালামাল সরবরাহ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এই প্রকল্পের অধীনে প্রত্যেক উপকারভোগীকে প্রায় ৪৭ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে, যা তাদের স্বাবলম্বী হয়ে সুন্দরভাবে জীবনযাপন করতে সাহায্য করবে। উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এর আগেও একই ধরনের একটি কর্মসূচির অধীনে উপজেলা সদরে একজন ভিক্ষুককে সফলভাবে পুনর্বাসন করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই উদ্যোগকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এবং আশা করছেন যে এর মাধ্যমে ভিক্ষুকদের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে ও তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পারমাণবিক অস্ত্র না বানানোর ২০ বছরের প্রস্তাব ইরানের: দাবি ট্রাম্পের

ভিক্ষুক পুনর্বাসনে অভিনব উদ্যোগ: দোকানঘর ও পুঁজি দিয়ে স্বাবলম্বী করার প্রয়াস

আপডেট সময় : ১১:১১:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় নদীভাঙন কবলিত চরাঞ্চলের অসহায় ও ভূমিহীন ভিক্ষুকদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এই মহৎ কর্মের নেতৃত্ব দিচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

সোমবার কেতকির হাট এলাকায় আব্দুল গফুর নামে এক ভিক্ষুককে দোকানঘর নির্মাণ করে দিয়ে এবং তার ব্যবসায়িক পুঁজি হিসেবে মনোহারি পণ্যের সামগ্রী তুলে দেওয়ার মাধ্যমে এই বিশেষ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা, পল্লী বিমোচন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

ইউএনও মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ভিক্ষুকদের পুনর্বাসনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে এবং এই প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে তিনজন ভিক্ষুককে নির্বাচন করা হয়েছে। আব্দুল গফুরের মাধ্যমে এই কার্যক্রমের সূচনা হয়েছে, যেখানে তাকে একটি দোকানঘর এবং প্রয়োজনীয় মালামাল সরবরাহ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এই প্রকল্পের অধীনে প্রত্যেক উপকারভোগীকে প্রায় ৪৭ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে, যা তাদের স্বাবলম্বী হয়ে সুন্দরভাবে জীবনযাপন করতে সাহায্য করবে। উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এর আগেও একই ধরনের একটি কর্মসূচির অধীনে উপজেলা সদরে একজন ভিক্ষুককে সফলভাবে পুনর্বাসন করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই উদ্যোগকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এবং আশা করছেন যে এর মাধ্যমে ভিক্ষুকদের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে ও তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে।