দেশের সাধারণ মানুষ নিজেদের কষ্টার্জিত অর্থ ব্যয় করে, নানা প্রতিকূলতা সহ্য করে শুধুমাত্র একটি ভোট দেওয়ার জন্য শহর থেকে গ্রামের বাড়ি ছুটে যান। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পেরে তারা যে শান্তি ও তৃপ্তি লাভ করেন, তা অমূল্য। এমনকি হাসপাতালে ভর্তি রোগীও অন্যের সহায়তায় ভোটকেন্দ্রে গিয়েছেন, এমন নজিরও এবার দেখা গেছে। মানুষ বাস, ট্রেন, লঞ্চের ছাদে উপচে পড়া ভিড়ে গ্রামে গেছেন ভোট দিতে। এই মানুষগুলোর চাওয়া যেন রাতারাতি ধনী হওয়া নয়, বরং একটুখানি শান্তি ও স্বস্তি।
দেশের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা খুব বেশি নয়, বরং খুবই সাধারণ। আর এই সাধারণ চাহিদাগুলো পূরণ করা সরকারের পক্ষে অসম্ভবও নয়। জনগণ বিশ্বাস করেন, সরকার আন্তরিক হলেই তাদের এই মৌলিক চাওয়াগুলো পূরণ হওয়া সম্ভব।
দেশে সরকার বদলায়, কিন্তু কোনো এক অদৃশ্য কারণে সাধারণ মানুষের এই সাধারণ চাওয়াগুলো বারবার অপূর্ণই থেকে যায়। শুধু অপূর্ণই নয়, বরং সময়ের সাথে সাথে এগুলোর জটিলতা বাড়ে এবং সাধারণ মানুষের জীবন ক্রমেই কঠিনতর হতে থাকে। এই সাধারণ চাহিদাগুলো পূরণে ব্যর্থতার কারণেই বাংলাদেশে বিপুল ভোটে নির্বাচিত কোনো সরকার পরবর্তী নির্বাচনে জয়ী হতে পারেনি। ১৯৯১ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত প্রতিটি সুষ্ঠু নির্বাচনে জনগণ সরকার পরিবর্তনের পক্ষেই রায় দিয়েছে। ক্ষমতাসীন সরকারের বিরুদ্ধে জনরায়ের মূল কারণ ছিল সাধারণ মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে বড় ধরনের ব্যর্থতা। বস্তুত, শাসকদের সীমাহীন ক্ষমতা লোভ এবং আজীবন ক্ষমতায় থাকার আকাঙ্ক্ষাই সাধারণ মানুষের মুক্তির পথে বারবার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে।
অতীতের এক সময়ে বাজার ব্যবস্থার মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করা হতো। এই বাজারকেন্দ্রিক শোষণ ব্যবস্থা দেশের নিপীড়িত মানুষের ওপর স্থায়ীভাবে চেপে বসেছে। মানুষ এখন এর অবসান চায়। তারা বাজার সিন্ডিকেট, সব ধরনের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ দেখতে চায়।
সরকার যদি সত্যিই চায় বাজারকে রাহুমুক্ত করে পণ্যের স্বাভাবিক দাম নিশ্চিত করতে, তবে তা অসম্ভব কিছু নয়। বর্তমান সরকারের…
রিপোর্টারের নাম 

























