ঢাকা ১২:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

কালিহাতিতে মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৫ জনের দাফন সম্পন্ন

টাঙ্গাইলের কালিহাতিতে এক মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন। শনিবার দুপুরে সাদুল্লাপুরের ধাপেরহাট ইউনিয়নের নিজপাড়া গ্রামে নিহতদের জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

স্থানীয় সূত্রমতে, নিহতদের মধ্যে হামিদুজ্জামানের স্ত্রী নার্গিস আক্তার (৪২), তাদের ছেলে নিরব (১২), বড় ছেলের শাশুড়ি দোলা বেগম (৪৫), প্রতিবেশী রিপা বেগম (২২) এবং সুলতান মিয়া (৩২) রয়েছেন। জানা গেছে, তিনদিন আগে নিহত নার্গিস আক্তার তার বড় ছেলে নাঈমের বিয়ে দিয়েছিলেন। শুক্রবার সকালে ছোট ছেলে নিরব ও বড় ছেলের শাশুড়ি দোলা বেগমকে সঙ্গে নিয়ে নার্গিস আক্তার ঢাকার পোশাক কারখানায় কাজের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন। তাদের সঙ্গে প্রতিবেশী সুলতান ও রিপাও ছিলেন।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, টাঙ্গাইলের কালিহাতিতে পৌঁছানোর পর তাদের বহনকারী বাসের তেল ফুরিয়ে যায়। চালক ও সহকারী তেল আনতে গেলে বাসের পাঁচ যাত্রী তেল ভরার জন্য বাস থেকে নেমে রেল লাইনের উপর বসেন। এ সময় দ্রুত গতির একটি ট্রেন এসে পড়লে তারা ঘটনাস্থলেই নিহত হন। ধাপেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. শাহাদত হোসেন জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই স্বজনরা টাঙ্গাইলের উদ্দেশ্যে রওনা হন এবং সকালে মরদেহগুলো বাড়িতে নিয়ে আসেন। পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যোহরের নামাজের পর জানাজা শেষে তাদের একই কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই বিপ্লবে আহতদের চিকিৎসা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা: ট্রাইব্যুনালে চাঞ্চল্যকর তথ্য

কালিহাতিতে মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৫ জনের দাফন সম্পন্ন

আপডেট সময় : ০৯:০৭:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

টাঙ্গাইলের কালিহাতিতে এক মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন। শনিবার দুপুরে সাদুল্লাপুরের ধাপেরহাট ইউনিয়নের নিজপাড়া গ্রামে নিহতদের জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

স্থানীয় সূত্রমতে, নিহতদের মধ্যে হামিদুজ্জামানের স্ত্রী নার্গিস আক্তার (৪২), তাদের ছেলে নিরব (১২), বড় ছেলের শাশুড়ি দোলা বেগম (৪৫), প্রতিবেশী রিপা বেগম (২২) এবং সুলতান মিয়া (৩২) রয়েছেন। জানা গেছে, তিনদিন আগে নিহত নার্গিস আক্তার তার বড় ছেলে নাঈমের বিয়ে দিয়েছিলেন। শুক্রবার সকালে ছোট ছেলে নিরব ও বড় ছেলের শাশুড়ি দোলা বেগমকে সঙ্গে নিয়ে নার্গিস আক্তার ঢাকার পোশাক কারখানায় কাজের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন। তাদের সঙ্গে প্রতিবেশী সুলতান ও রিপাও ছিলেন।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, টাঙ্গাইলের কালিহাতিতে পৌঁছানোর পর তাদের বহনকারী বাসের তেল ফুরিয়ে যায়। চালক ও সহকারী তেল আনতে গেলে বাসের পাঁচ যাত্রী তেল ভরার জন্য বাস থেকে নেমে রেল লাইনের উপর বসেন। এ সময় দ্রুত গতির একটি ট্রেন এসে পড়লে তারা ঘটনাস্থলেই নিহত হন। ধাপেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. শাহাদত হোসেন জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই স্বজনরা টাঙ্গাইলের উদ্দেশ্যে রওনা হন এবং সকালে মরদেহগুলো বাড়িতে নিয়ে আসেন। পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যোহরের নামাজের পর জানাজা শেষে তাদের একই কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।