ফেনী জেলা পরিষদের প্রশাসক ও স্থানীয় বিএনপি নেতা অধ্যাপক এম এ খালেককে ঘিরে নতুন এক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের দিয়ে ‘ভিআইপি প্রটোকল’ ও ‘গার্ড অব অনার’ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে তীব্র সমালোচনা চলছে। বৃহস্পতিবার ফেনী সদর উপজেলার মোটবী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথিকে বরণ করতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিশেষ তোরণ নির্মাণ করা হয় এবং শিক্ষার্থীদের সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে ফুল ছিটানো ও সামরিক কায়দায় সম্মাননা প্রদর্শন করানো হয়। রাষ্ট্রপ্রধান বা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সংরক্ষিত এ ধরনের আনুষ্ঠানিক সম্মাননা একজন স্থানীয় প্রশাসকের জন্য ব্যবহার করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, যেখানে রাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিরা এ ধরনের প্রটোকল পরিহার করছেন, সেখানে একজন জেলা প্রশাসক কেন এমন আয়োজন গ্রহণ করলেন।
অভিযুক্ত অধ্যাপক এম এ খালেক দাবি করেছেন, তিনি নিজে এমন আয়োজন করতে বলেননি, বরং বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ উৎসাহী হয়ে এটি করেছে। অন্যদিকে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জানান, পূর্বের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেই এ আয়োজন করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ২৬০ জন শিক্ষার্থীর এই বিদ্যালয়ের বার্ষিক অনুষ্ঠানের জন্য বড় অংকের অর্থ ব্যয় করা হলেও শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ সময় রোদে দাঁড় করিয়ে রাখার বিষয়টি নিয়ে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

























