ঢাকা ০২:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে জার্মানির চাপ: চ্যান্সেলর মের্জ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫১:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ জানিয়েছেন, ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ বন্ধের জন্য জার্মানি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে চাপ সৃষ্টি করছে।

তিনি বলেন, জার্মানি সর্বাত্মক চেষ্টা করছে যাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে তাদের যুদ্ধ বন্ধ করতে রাজি হয়। জার্মানির জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি আরও জানান যে, সংঘাত শেষ হওয়ার পর অঞ্চলটিকে স্থিতিশীল করার জন্য আন্তর্জাতিক যেকোনো প্রচেষ্টায় জার্মানি অংশ নিতে প্রস্তুত থাকবে। তবে, যেকোনো অভিযানের জন্য জাতিসংঘের অনুমোদন প্রয়োজন হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধের বিষয়ে জার্মানির অবস্থান বিভক্ত। চ্যান্সেলর মের্জ বর্তমান ইরানি সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য এই যুদ্ধকে সমর্থন করলেও, প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক-ওয়াল্টার স্টাইনমায়ারসহ অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তারা এই সংঘাতকে একটি ‘ভয়াবহ ভুল’ এবং আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে যানবাহন চুরির হিড়িক: প্রতিদিন গড়ে চুরি হচ্ছে একটি গাড়ি বা মোটরসাইকেল

যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে জার্মানির চাপ: চ্যান্সেলর মের্জ

আপডেট সময় : ০২:৫১:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ জানিয়েছেন, ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ বন্ধের জন্য জার্মানি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে চাপ সৃষ্টি করছে।

তিনি বলেন, জার্মানি সর্বাত্মক চেষ্টা করছে যাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে তাদের যুদ্ধ বন্ধ করতে রাজি হয়। জার্মানির জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি আরও জানান যে, সংঘাত শেষ হওয়ার পর অঞ্চলটিকে স্থিতিশীল করার জন্য আন্তর্জাতিক যেকোনো প্রচেষ্টায় জার্মানি অংশ নিতে প্রস্তুত থাকবে। তবে, যেকোনো অভিযানের জন্য জাতিসংঘের অনুমোদন প্রয়োজন হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধের বিষয়ে জার্মানির অবস্থান বিভক্ত। চ্যান্সেলর মের্জ বর্তমান ইরানি সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য এই যুদ্ধকে সমর্থন করলেও, প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক-ওয়াল্টার স্টাইনমায়ারসহ অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তারা এই সংঘাতকে একটি ‘ভয়াবহ ভুল’ এবং আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছেন।