মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে ‘ফলপ্রসূ’ আলোচনার দাবি করলেও, তেহরান তা অস্বীকার করে একে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে সৃষ্ট চাপ কমাতে মার্কিন প্রশাসনের একটি কৌশল হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। সম্প্রতি মিসর, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় মার্কিন ও ইরানি কর্মকর্তাদের মধ্যে গোপন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা গেছে, যা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন ভূ-রাজনৈতিক মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের লক্ষ্য কেবল যুদ্ধবিরতি নয়, বরং এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করা যা মধ্যপ্রাচ্য এবং পশ্চিমা বিশ্বেও প্রভাব ফেলবে। দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি, ইরান আলোচনার টেবিলে নিজেদের দাবি আদায়ে আগের চেয়ে অনেক বেশি কঠোর হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও আমেরিকা ও ইসরাইল ইরানের সামরিক সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করছে, ইরান হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত করে এবং ইসরাইলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে নিজেদের সামরিক শক্তি প্রদর্শন করেছে।
বর্তমানে হরমুজ প্রণালীতে শত শত জাহাজ আটকে থাকায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, ইরান নিজেদের ওপর হামলা না করার নিশ্চয়তা এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতের জন্য নতুন নিয়ন্ত্রণ কাঠামো দাবি করছে। ওয়াশিংটনভিত্তিক সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিসির সিনিয়র ফেলো নেগার মোরতাজাভির মতে, তেহরান যুদ্ধ নিজেদের শর্তে শেষ করতে এবং নিষেধাজ্ঞা শিথিল, ক্ষতিপূরণ ও অর্থনৈতিক প্রভাব অর্জনের চেষ্টা করবে। হরমুজ প্রণালীর ওপর ইরানের এই নিয়ন্ত্রণ তাদের কৌশলগত অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে।
রিপোর্টারের নাম 






















