ঢাকা ০৩:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

স্বাধীনতার ৫৬ বছর: আত্মনির্ভরশীলতার স্বপ্নে বিভোর বাংলাদেশ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২০:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

বিশ্ব মানচিত্রে ক্ষুদ্র ভূখণ্ড হলেও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ আজ তার ৫৬তম বছরে পদার্পণ করছে, যেখানে এ দেশের জনগণের আত্মমর্যাদা ও আত্মনির্ভরশীলতার স্বপ্ন আজও অমলিন। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং নিজেদের পায়ে দাঁড়ানোর আকাঙ্ক্ষা নিয়ে জাতি এগিয়ে চলেছে।

স্বাধীনতা মানুষের জন্মগত অধিকার হলেও তা সহজে অর্জিত হয় না; বরং দীর্ঘ সংগ্রাম ও ত্যাগের বিনিময়ে তা আদায় করে নিতে হয়। আর সেই স্বাধীনতা রক্ষা করাও কম কঠিন নয়, কারণ শত্রুদের অভাব কখনোই থাকে না। ইতিহাসের পরতে পরতে এর প্রমাণ বিদ্যমান। একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর বহু ত্যাগ-তিতিক্ষার পর বাঙালি জাতি পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে তাদের বহু আকাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা অর্জন করেছিল। তবে এই আত্মত্যাগের যৌক্তিকতা তখনই পূর্ণতা পাবে, যখন স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হবে।

এই ভূখণ্ডে একসময় ব্যবসা-বাণিজ্যের আড়ালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাত ধরে ইংরেজদের আগমন ঘটেছিল। তাদের আগে মগ ও পর্তুগিজরাও এ দেশে এসেছিল। নিজেদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা সত্ত্বেও ইংরেজরা কৌশলে তৎকালীন শাসকবর্গের উদাসীনতার সুযোগ নিয়ে রাজপ্রাসাদে প্রবেশ করে। প্রধান সেনাপতি মীর জাফর আলি খাঁকে হাত করে তারা নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে ক্ষমতাচ্যুত করে। ক্রমান্বয়ে তারা বাংলা, বিহার, ওড়িশা এবং পুরো ভারতবর্ষের ক্ষমতা কুক্ষিগত করে। মীর কাসিম খান ও টিপু সুলতানের মতো স্বাধীনচেতা শাসকরা স্থানীয়ভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুললেও শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হন, যা পরাধীনতার এক দীর্ঘ অধ্যায়ের সূচনা করেছিল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর নিয়োগ: ৩০০ পদে আবেদনের সুযোগ

স্বাধীনতার ৫৬ বছর: আত্মনির্ভরশীলতার স্বপ্নে বিভোর বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০২:২০:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

বিশ্ব মানচিত্রে ক্ষুদ্র ভূখণ্ড হলেও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ আজ তার ৫৬তম বছরে পদার্পণ করছে, যেখানে এ দেশের জনগণের আত্মমর্যাদা ও আত্মনির্ভরশীলতার স্বপ্ন আজও অমলিন। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং নিজেদের পায়ে দাঁড়ানোর আকাঙ্ক্ষা নিয়ে জাতি এগিয়ে চলেছে।

স্বাধীনতা মানুষের জন্মগত অধিকার হলেও তা সহজে অর্জিত হয় না; বরং দীর্ঘ সংগ্রাম ও ত্যাগের বিনিময়ে তা আদায় করে নিতে হয়। আর সেই স্বাধীনতা রক্ষা করাও কম কঠিন নয়, কারণ শত্রুদের অভাব কখনোই থাকে না। ইতিহাসের পরতে পরতে এর প্রমাণ বিদ্যমান। একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর বহু ত্যাগ-তিতিক্ষার পর বাঙালি জাতি পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে তাদের বহু আকাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা অর্জন করেছিল। তবে এই আত্মত্যাগের যৌক্তিকতা তখনই পূর্ণতা পাবে, যখন স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হবে।

এই ভূখণ্ডে একসময় ব্যবসা-বাণিজ্যের আড়ালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাত ধরে ইংরেজদের আগমন ঘটেছিল। তাদের আগে মগ ও পর্তুগিজরাও এ দেশে এসেছিল। নিজেদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা সত্ত্বেও ইংরেজরা কৌশলে তৎকালীন শাসকবর্গের উদাসীনতার সুযোগ নিয়ে রাজপ্রাসাদে প্রবেশ করে। প্রধান সেনাপতি মীর জাফর আলি খাঁকে হাত করে তারা নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে ক্ষমতাচ্যুত করে। ক্রমান্বয়ে তারা বাংলা, বিহার, ওড়িশা এবং পুরো ভারতবর্ষের ক্ষমতা কুক্ষিগত করে। মীর কাসিম খান ও টিপু সুলতানের মতো স্বাধীনচেতা শাসকরা স্থানীয়ভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুললেও শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হন, যা পরাধীনতার এক দীর্ঘ অধ্যায়ের সূচনা করেছিল।