বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের উদযাপনের আনুষ্ঠানিকতার আড়ালে এর প্রকৃত তাৎপর্য এবং কৃত্রিম ও অকৃত্রিম স্বাধীনতার পার্থক্য অনুধাবন করা অত্যন্ত জরুরি। স্বাধীনতা রক্ষা করতে হলে সর্বদা সচেতন ও সক্রিয় থাকা প্রয়োজন। বাঙালির স্বাধীনতা-সংগ্রাম কেবল ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর রয়েছে হাজার বছরের এক সমৃদ্ধ ও দীর্ঘ প্রেক্ষাপট।
ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, ১৩৪২ বঙ্গাব্দে শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহের নেতৃত্বে বাংলা একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রথম আত্মপ্রকাশ করে। তবে এই সার্বভৌমত্ব এক দিনে অর্জিত হয়নি; এর পেছনে ছিল দীর্ঘ কয়েক শতাব্দীর ত্যাগ এবং অনার্য জনগোষ্ঠীর রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে বাংলার স্বাধীনতার ঘোষণা এসেছে এবং তা বারংবার পুনর্প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জাতীয় জীবনের মৌলিক নীতিনির্ধারণের ক্ষেত্রে এই ঐতিহাসিক সত্যগুলোকে উপলব্ধি করা অপরিহার্য।
রিপোর্টারের নাম 

























