ঢাকা ০১:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

চিতলমারীতে পালকিতে চড়ে বিয়ে: ফিরে এল গ্রাম-বাংলার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য

বাগেরহাটের চিতলমারীতে বিলুপ্তপ্রায় গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী পালকিতে চড়ে বিয়ে করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছেন এক বর। আধুনিকতার ভিড়ে হারিয়ে যাওয়া এই প্রাচীন বাহনটি দেখে স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের মাঝে কাজ করছে এক ধরণের নস্টালজিয়া। গত মঙ্গলবার বিকেলে চিতলমারী সদর বাজারের প্রধান সড়ক দিয়ে পালকিতে চড়ে বর যখন কনের বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন, তখন সেই দৃশ্য উপভোগ করতে ভিড় জমায় উৎসুক জনতা।

স্থানীয় বয়োজ্যেষ্ঠরা জানান, কয়েক দশক আগেও বিয়ের প্রধান বাহন ছিল পালকি। চার থেকে আটজন বাহক ছন্দময় গান আর নূপুরের তালে তালে পালকি কাঁধে নিয়ে মাইলের পর মাইল পথ পাড়ি দিতেন। সময়ের বিবর্তনে এবং যান্ত্রিক সভ্যতার বিকাশে সেই সোনালি দিনগুলো এখন কেবলই স্মৃতি। বর্তমানে সচ্ছল পরিবারগুলো হেলিকপ্টার কিংবা দামি গাড়ি ব্যবহার করলেও চিতলমারীর এই ঘটনা সবাইকে পুরোনো দিনের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে।

স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, আগে বরের বাড়িতে নতুন বউকে বরণ করার জন্য ধান-দূর্বা নিয়ে মা-বোনেরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতেন। আধুনিক যুগে সেই আবেগ ও ঐতিহ্যের অনেক কিছুই এখন বিলুপ্তির পথে। চিতলমারীর এই ব্যতিক্রমী আয়োজন নতুন প্রজন্মের কাছে গ্রাম-বাংলার আদি সংস্কৃতিকে তুলে ধরার একটি অনন্য প্রয়াস হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আন্তর্জাতিক ফাইট নাইটে দেশি-বিদেশি বক্সারদের লড়াই, শেষ হলো জমকালো আসর

চিতলমারীতে পালকিতে চড়ে বিয়ে: ফিরে এল গ্রাম-বাংলার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য

আপডেট সময় : ০১:৪৭:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

বাগেরহাটের চিতলমারীতে বিলুপ্তপ্রায় গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী পালকিতে চড়ে বিয়ে করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছেন এক বর। আধুনিকতার ভিড়ে হারিয়ে যাওয়া এই প্রাচীন বাহনটি দেখে স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের মাঝে কাজ করছে এক ধরণের নস্টালজিয়া। গত মঙ্গলবার বিকেলে চিতলমারী সদর বাজারের প্রধান সড়ক দিয়ে পালকিতে চড়ে বর যখন কনের বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন, তখন সেই দৃশ্য উপভোগ করতে ভিড় জমায় উৎসুক জনতা।

স্থানীয় বয়োজ্যেষ্ঠরা জানান, কয়েক দশক আগেও বিয়ের প্রধান বাহন ছিল পালকি। চার থেকে আটজন বাহক ছন্দময় গান আর নূপুরের তালে তালে পালকি কাঁধে নিয়ে মাইলের পর মাইল পথ পাড়ি দিতেন। সময়ের বিবর্তনে এবং যান্ত্রিক সভ্যতার বিকাশে সেই সোনালি দিনগুলো এখন কেবলই স্মৃতি। বর্তমানে সচ্ছল পরিবারগুলো হেলিকপ্টার কিংবা দামি গাড়ি ব্যবহার করলেও চিতলমারীর এই ঘটনা সবাইকে পুরোনো দিনের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে।

স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, আগে বরের বাড়িতে নতুন বউকে বরণ করার জন্য ধান-দূর্বা নিয়ে মা-বোনেরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতেন। আধুনিক যুগে সেই আবেগ ও ঐতিহ্যের অনেক কিছুই এখন বিলুপ্তির পথে। চিতলমারীর এই ব্যতিক্রমী আয়োজন নতুন প্রজন্মের কাছে গ্রাম-বাংলার আদি সংস্কৃতিকে তুলে ধরার একটি অনন্য প্রয়াস হিসেবে দেখা হচ্ছে।