ঢাকা ০৩:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

সাভারের আলোচিত সিরিয়াল কিলার ভবঘুরে সম্রাটের কারাভোগকালে মৃত্যু

ঢাকার সাভার এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টিকারী সিরিয়াল কিলার ভবঘুরে সম্রাট ওরফে সবুজ শেখের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সম্রাট ওরফে সবুজ শেখ কারাগারে অসুস্থ বোধ করলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে আসার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

পুলিশের তথ্যানুযায়ী, প্রায় দুই মাস আগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে সম্রাট কারাগারেই ছিলেন। তিনি মুন্সীগঞ্জের বাসিন্দা পান্না শেখের ছেলে। গত ১৯ জানুয়ারি সাভারের একটি কমিউনিটি সেন্টারে জোড়া খুনের ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি আরো কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। মোট ছয়টি হত্যা মামলায় তাকে আসামি করা হয়েছিল। আদালতে হাজির করার পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয় এবং এরপর থেকে তিনি কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারেই ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামের মোগল স্থাপত্য: ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে চার প্রাচীন মসজিদ

সাভারের আলোচিত সিরিয়াল কিলার ভবঘুরে সম্রাটের কারাভোগকালে মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৮:২৫:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

ঢাকার সাভার এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টিকারী সিরিয়াল কিলার ভবঘুরে সম্রাট ওরফে সবুজ শেখের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সম্রাট ওরফে সবুজ শেখ কারাগারে অসুস্থ বোধ করলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে আসার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

পুলিশের তথ্যানুযায়ী, প্রায় দুই মাস আগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে সম্রাট কারাগারেই ছিলেন। তিনি মুন্সীগঞ্জের বাসিন্দা পান্না শেখের ছেলে। গত ১৯ জানুয়ারি সাভারের একটি কমিউনিটি সেন্টারে জোড়া খুনের ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি আরো কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। মোট ছয়টি হত্যা মামলায় তাকে আসামি করা হয়েছিল। আদালতে হাজির করার পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয় এবং এরপর থেকে তিনি কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারেই ছিলেন।