ঢাকা ০৪:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

গ্যাস সংকটে এবার বন্ধ হলো দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডিএপি সার কারখানা

কাফকো ও সিইউএফএল-এর পর এবার চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই অ্যামোনিয়া ফসফেট (ডিএপি) সার কারখানায় উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত অ্যামোনিয়ার তীব্র সংকটের কারণে শনিবার সন্ধ্যা থেকে কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়। এর ফলে দেশের সার সরবরাহে বড় ধরনের সংকটের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ডিএপি সার কারখানাটি মূলত কাফকো ও সিইউএফএল থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে উৎপাদন কাজ চালাত। কিন্তু গ্যাস সংকটের কারণে গত ৪ মার্চ থেকে ওই দুটি কারখানায় অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এতদিন মজুদ থাকা অ্যামোনিয়া দিয়ে ডিএপি কারখানার কাজ চললেও তা শেষ হয়ে যাওয়ায় শেষ পর্যন্ত কারখানাটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

কারখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কাঁচামাল সরবরাহ না পাওয়া পর্যন্ত উৎপাদন শুরু করা সম্ভব নয়। ২০০৬ সালে বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরু করা এই গুরুত্বপূর্ণ শিল্পপ্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি ইতিমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং পুনরায় চালুর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বজ্রপাতে ১২ জনের মৃত্যুতে জামায়াতের গভীর শোক, সতর্কতামূলক পদক্ষেপের দাবি

গ্যাস সংকটে এবার বন্ধ হলো দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডিএপি সার কারখানা

আপডেট সময় : ০২:২৬:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

কাফকো ও সিইউএফএল-এর পর এবার চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই অ্যামোনিয়া ফসফেট (ডিএপি) সার কারখানায় উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত অ্যামোনিয়ার তীব্র সংকটের কারণে শনিবার সন্ধ্যা থেকে কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়। এর ফলে দেশের সার সরবরাহে বড় ধরনের সংকটের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ডিএপি সার কারখানাটি মূলত কাফকো ও সিইউএফএল থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে উৎপাদন কাজ চালাত। কিন্তু গ্যাস সংকটের কারণে গত ৪ মার্চ থেকে ওই দুটি কারখানায় অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এতদিন মজুদ থাকা অ্যামোনিয়া দিয়ে ডিএপি কারখানার কাজ চললেও তা শেষ হয়ে যাওয়ায় শেষ পর্যন্ত কারখানাটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

কারখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কাঁচামাল সরবরাহ না পাওয়া পর্যন্ত উৎপাদন শুরু করা সম্ভব নয়। ২০০৬ সালে বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরু করা এই গুরুত্বপূর্ণ শিল্পপ্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি ইতিমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং পুনরায় চালুর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।