ঢাকা ০২:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

তেহরানে বিমান হামলায় দুই সন্তানসহ ইরানি অধ্যাপক নিহত, নেপথ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

ইরানের রাজধানী তেহরানের উত্তরাঞ্চলে নিজ বাসভবনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ বিমান হামলায় এক প্রথিতযশা বিজ্ঞানী ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নিহত হয়েছেন। হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ওই অধ্যাপকের দুই সন্তানও। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে জানানো হয়েছে, নিহত ড. সাঈদ শামাগদারি ইরান ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির প্রকৌশল বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ছিলেন।

এই বর্বরোচিত হামলায় তার ছেলে মোহাম্মদ এবং মেয়ে রেহানেহ ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক শোকবার্তায় এই ঘটনাকে একটি গভীর ট্র্যাজেডি হিসেবে বর্ণনা করে নিহতের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের পর পুরো ইরানজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় বইছে।

উল্লেখ্য, এর আগেও ইরানের বিভিন্ন পরমাণু ও প্রতিরক্ষা কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগে বেশ কয়েকজন বিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদকে লক্ষ্যবস্তু করেছে ইসরাইল। এবারের হামলাটিকেও সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই হত্যাকাণ্ডের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মোহাম্মদপুরে নির্মাণাধীন ভবনে মালামাল পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

তেহরানে বিমান হামলায় দুই সন্তানসহ ইরানি অধ্যাপক নিহত, নেপথ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল

আপডেট সময় : ১১:১৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

ইরানের রাজধানী তেহরানের উত্তরাঞ্চলে নিজ বাসভবনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ বিমান হামলায় এক প্রথিতযশা বিজ্ঞানী ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নিহত হয়েছেন। হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ওই অধ্যাপকের দুই সন্তানও। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে জানানো হয়েছে, নিহত ড. সাঈদ শামাগদারি ইরান ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির প্রকৌশল বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ছিলেন।

এই বর্বরোচিত হামলায় তার ছেলে মোহাম্মদ এবং মেয়ে রেহানেহ ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক শোকবার্তায় এই ঘটনাকে একটি গভীর ট্র্যাজেডি হিসেবে বর্ণনা করে নিহতের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের পর পুরো ইরানজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় বইছে।

উল্লেখ্য, এর আগেও ইরানের বিভিন্ন পরমাণু ও প্রতিরক্ষা কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগে বেশ কয়েকজন বিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদকে লক্ষ্যবস্তু করেছে ইসরাইল। এবারের হামলাটিকেও সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই হত্যাকাণ্ডের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।