ঢাকা ০২:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত নিরসনে মধ্যস্থতাকারী হতে চায় পাকিস্তান

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিদ্যমান উত্তেজনা প্রশমনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের নাম জোরালোভাবে আলোচিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সেতুবন্ধন তৈরিতে ইসলামাবাদকে সম্ভাব্য আলোচনার কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছে পাকিস্তান।

ব্রিটিশ পত্রিকা ফিন্যান্সিয়াল টাইমস ও মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পাকিস্তান এই সংঘাত নিরসনে সক্রিয় ভূমিকা পালনে আগ্রহী। যদিও তেহরান বা ওয়াশিংটন এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি, তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন পাকিস্তানের এই উদ্যোগ বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে মার্কিন প্রশাসনের সাথে পাকিস্তানের সম্পর্ক ইতিবাচক হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর আগে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির ও প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এছাড়া ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়টিও দুই দেশের সম্পর্কে উষ্ণতার ইঙ্গিত দেয়। এই প্রেক্ষাপটে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বিরোধ মেটাতে পাকিস্তান একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মোহাম্মদপুরে নির্মাণাধীন ভবনে মালামাল পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত নিরসনে মধ্যস্থতাকারী হতে চায় পাকিস্তান

আপডেট সময় : ১১:১৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিদ্যমান উত্তেজনা প্রশমনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের নাম জোরালোভাবে আলোচিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সেতুবন্ধন তৈরিতে ইসলামাবাদকে সম্ভাব্য আলোচনার কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছে পাকিস্তান।

ব্রিটিশ পত্রিকা ফিন্যান্সিয়াল টাইমস ও মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পাকিস্তান এই সংঘাত নিরসনে সক্রিয় ভূমিকা পালনে আগ্রহী। যদিও তেহরান বা ওয়াশিংটন এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি, তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন পাকিস্তানের এই উদ্যোগ বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে মার্কিন প্রশাসনের সাথে পাকিস্তানের সম্পর্ক ইতিবাচক হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর আগে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির ও প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এছাড়া ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়টিও দুই দেশের সম্পর্কে উষ্ণতার ইঙ্গিত দেয়। এই প্রেক্ষাপটে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বিরোধ মেটাতে পাকিস্তান একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।