ঢাকা ০৭:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে প্রস্তাব উত্থাপন

বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় এবং নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস পার্লামেন্টে একটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে। সংসদ সদস্য অ্যাবিগেইল বয়েড এই মোশনটি উত্থাপন করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. রাশেদুল হক।

প্রস্তাবনায় ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ১৩তম সাধারণ নির্বাচনকে গত কয়েক দশকের মধ্যে অন্যতম শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক নির্বাচন হিসেবে অভিহিত করা হয়। এতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের পর এটিই ছিল প্রথম অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন, যেখানে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়লাভ করেছে।

অ্যাবিগেইল বয়েড তার বক্তব্যে নির্বাচন কমিশনের তথ্যের বরাত দিয়ে জানান, এবারের নির্বাচনে ৫৯ শতাংশ ভোটারের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল। এছাড়া ‘জুলাই ন্যাশনাল চার্টার’ বা জাতীয় সনদের ওপর অনুষ্ঠিত গণভোটের সাফল্যের কথাও উল্লেখ করা হয়। এই সনদে শাসনব্যবস্থার সংস্কারে ৮০টিরও বেশি প্রস্তাবনা রয়েছে যা বাস্তবায়নের অপেক্ষায়। প্রস্তাবের শেষ অংশে বাংলাদেশের জনগণের সাহসিকতা ও ন্যায়বিচারের সংগ্রামের প্রশংসা করে নবনির্বাচিত সরকারকে অভিনন্দন জানানো হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: পরিবারের দাবি পরিকল্পিত হত্যা, স্বামী পলাতক

তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে প্রস্তাব উত্থাপন

আপডেট সময় : ১০:৫১:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় এবং নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস পার্লামেন্টে একটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে। সংসদ সদস্য অ্যাবিগেইল বয়েড এই মোশনটি উত্থাপন করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. রাশেদুল হক।

প্রস্তাবনায় ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ১৩তম সাধারণ নির্বাচনকে গত কয়েক দশকের মধ্যে অন্যতম শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক নির্বাচন হিসেবে অভিহিত করা হয়। এতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের পর এটিই ছিল প্রথম অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন, যেখানে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়লাভ করেছে।

অ্যাবিগেইল বয়েড তার বক্তব্যে নির্বাচন কমিশনের তথ্যের বরাত দিয়ে জানান, এবারের নির্বাচনে ৫৯ শতাংশ ভোটারের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল। এছাড়া ‘জুলাই ন্যাশনাল চার্টার’ বা জাতীয় সনদের ওপর অনুষ্ঠিত গণভোটের সাফল্যের কথাও উল্লেখ করা হয়। এই সনদে শাসনব্যবস্থার সংস্কারে ৮০টিরও বেশি প্রস্তাবনা রয়েছে যা বাস্তবায়নের অপেক্ষায়। প্রস্তাবের শেষ অংশে বাংলাদেশের জনগণের সাহসিকতা ও ন্যায়বিচারের সংগ্রামের প্রশংসা করে নবনির্বাচিত সরকারকে অভিনন্দন জানানো হয়।