চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় হালিমা আক্তার মুন্নি (২১) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, এটি আত্মহত্যা নয়, বরং পরিকল্পিতভাবে মারধর করে হত্যার পর লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
নিহত হালিমা আক্তার মুন্নি একই উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের বাসিন্দা মোহাম্মদ ইসহাকের মেয়ে এবং তার স্বামীর নাম মিজানুর রহমান। নিহত গৃহবধূর বাবা ইসহাক জানান, তার মেয়ে শ্বশুরের অসুস্থতার খবর পেয়ে শ্বশুরবাড়ি গিয়েছিল। সকালে মেয়ের জামাই ফোন করে আত্মহত্যার খবর দেয়। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, মেয়ের গলায় ফাঁস থাকলেও তার পা দুটি মাটির সঙ্গে লাগানো ছিল এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্নও ছিল। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।
নিহতের স্বজনরা জানান, ২০২৩ সালের ২৫ অক্টোবর পারিবারিকভাবে হালিমা ও মিজানুরের বিয়ে হয়। দীর্ঘদিন ধরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য চলছিল, যা স্থানীয় সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে মীমাংসা করা হতো। এই দম্পতির এক বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। সর্বশেষ গত শনিবার রাতেও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। ঘটনার পর থেকে নিহত হালিমার স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছেন।
আনোয়ারা থানার পুলিশ জানিয়েছে, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর কারণ নিয়ে উভয়পক্ষের কাছ থেকে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 






















