রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে এক কিশোরীকে (১৪) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে দুই বন্ধুর বিরুদ্ধে। শনিবার (৯ মে) রাতে কিশোরীকে বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে এক নির্জন স্থানে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নাহিদুল ইসলাম (২০) নামের এক তরুণকে মোটরসাইকেলসহ আটক করেছে পুলিশ।
ভুক্তভোগী কিশোরীর অভিযোগ, দুই মাস ধরে রায়হান শেখ (২০) নামে এক তরুণের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। শনিবার রাতে ঘোরানোর কথা বলে রায়হান ও তার বন্ধু নাহিদুল তাকে মোটরসাইকেলে করে কয়েক কিলোমিটার দূরের একটি ফাঁকা মাঠে নিয়ে যায়। সেখানে তারা দুজন মদ পান করে এবং জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করে। রাত ১২টার দিকে তাকে এলাকায় নামিয়ে দেওয়ার সময় রায়হান পালিয়ে গেলেও স্থানীয় লোকজন নাহিদুলকে আটক করে।
এ ঘটনায় কিশোরীর মা বাদী হয়ে রবিবার দুপুরে গোয়ালন্দঘাট থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেছেন। মামলায় রায়হান ও নাহিদুলকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। আটক নাহিদুল ইসলাম দাবি করেছেন যে, বন্ধু রায়হান তার প্রেমিকাকে নিয়ে এসে ধর্ষণ করে এবং পরে তাকে ডাকলে তিনিও ধর্ষণের চেষ্টা করেন, তবে করেননি। তিনি আরও জানান, ফরিদপুর থেকে সন্ধ্যায় দুই বন্ধু মদ এনে সেটি পান করার পর মেয়েটিকে ডেকে আনা হয়।
গোয়ালন্দঘাট থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রাশিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, কিশোরীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগে এলাকাবাসী মোটরসাইকেলসহ এক তরুণকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। তাকে থানায় আনা হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে।
রিপোর্টারের নাম 


















