মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত বিশ্ব অর্থনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, এই যুদ্ধ পরিস্থিতি অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তিনি বলেন, সামনে কঠিন সময় আসছে, যার প্রধান লক্ষণ হলো জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দামও বেড়ে যাবে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।
সোমবার (২৩ মার্চ) সকালে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নে নেহা নদী পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিএনপি কাজ করতে এসেছে এবং দেশের উন্নয়নে তারা অঙ্গীকারবদ্ধ। তিনি সরকারের সমালোচনা করে বলেন, একদল মানুষ বেহেশতের টিকিট বিক্রির মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু তারা সফল হয়নি। বিএনপি ভোট দিয়ে বেহেশতের টিকিট নেওয়ার রাজনীতি করে না, বরং অক্লান্ত পরিশ্রম ও কাজের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে চায়।
মন্ত্রী বলেন, বিশ্বজুড়ে যুদ্ধাবস্থার কারণে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমে এসেছে। তবে এই সুযোগে পাম্প ভাঙচুর করা বা অরাজকতা সৃষ্টি করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা কঠোর হস্তে দমন করা হবে এবং আইনের বাইরে কোনো কাজ করতে দেওয়া হবে না। তিনি কৃষকদের দুর্দশার কথাও উল্লেখ করেন, যেমন – ঝড়-বৃষ্টিতে ফসলের ক্ষতি হওয়া। তিনি জানান, কৃষকদের কৃষি ঋণ মওকুফের প্রতিশ্রুতি পূরণ করা হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে কৃষকদের সহায়তার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে কয়েক কোটি মহিলাকে সহায়তা প্রদান করা হবে এবং দেশজুড়ে ২০ হাজার খাল খননের মতো বড় প্রকল্পগুলো সম্পন্ন করা হবে।
রিপোর্টারের নাম 
























