ঢাকা ১১:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

হরমুজ দ্বীপের কাছে এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের দাবি ইরানের

ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী দাবি করেছে যে, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমুজ দ্বীপের কাছে একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করা হয়েছে। রবিবার (২২ মার্চ) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ, মেহর নিউজ ও আনাদোলু এজেন্সি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

ইরানের জয়েন্ট এয়ার ডিফেন্স কমান্ডের একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিমানটি ইরানের দক্ষিণ উপকূলীয় অঞ্চলের আকাশসীমায় অনুপ্রবেশ করেছিল। ইরান আরও দাবি করেছে যে, ভূপাতিত হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে যুদ্ধবিমানটি থেকে একটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল।

তবে, যুদ্ধবিমানটি কোন দেশের ছিল বা এর পাইলটের পরিণতি কী হয়েছে, সে সম্পর্কে তেহরান এখন পর্যন্ত কোনো বিস্তারিত তথ্য বা ধ্বংসাবশেষের প্রমাণ উপস্থাপন করেনি।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ওই হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনিসহ এ পর্যন্ত ১ হাজার ৩০০র বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গেছে।

এর প্রতিশোধ হিসেবে ইরান ইসরায়েল ছাড়াও জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় দেশগুলোতে (যেখানে মার্কিন সামরিক সম্পদ রয়েছে) দফায় দফায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে আসছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

হরমুজ দ্বীপের কাছে এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের দাবি ইরানের

আপডেট সময় : ০৯:০১:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী দাবি করেছে যে, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমুজ দ্বীপের কাছে একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করা হয়েছে। রবিবার (২২ মার্চ) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ, মেহর নিউজ ও আনাদোলু এজেন্সি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

ইরানের জয়েন্ট এয়ার ডিফেন্স কমান্ডের একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিমানটি ইরানের দক্ষিণ উপকূলীয় অঞ্চলের আকাশসীমায় অনুপ্রবেশ করেছিল। ইরান আরও দাবি করেছে যে, ভূপাতিত হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে যুদ্ধবিমানটি থেকে একটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল।

তবে, যুদ্ধবিমানটি কোন দেশের ছিল বা এর পাইলটের পরিণতি কী হয়েছে, সে সম্পর্কে তেহরান এখন পর্যন্ত কোনো বিস্তারিত তথ্য বা ধ্বংসাবশেষের প্রমাণ উপস্থাপন করেনি।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ওই হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনিসহ এ পর্যন্ত ১ হাজার ৩০০র বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গেছে।

এর প্রতিশোধ হিসেবে ইরান ইসরায়েল ছাড়াও জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় দেশগুলোতে (যেখানে মার্কিন সামরিক সম্পদ রয়েছে) দফায় দফায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে আসছে।