ঢাকা ০১:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত: বিশ্বজুড়ে এয়ারলাইন্সগুলোর ৫০ বিলিয়ন ডলারের বেশি ক্ষতি, বাড়ছে বিমান ভাড়া

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল এবং ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাত বিশ্বব্যাপী বিমান পরিবহন শিল্পে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি ডেকে এনেছে। ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বিশ্বের বৃহত্তম ২০টি এয়ারলাইন্স তাদের বাজারমূল্য থেকে প্রায় ৫৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি হারিয়েছে।

যুদ্ধের প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে বেশ কয়েকটি এয়ারলাইন্স তাদের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে, যা তাদের আর্থিক ক্ষতির অন্যতম প্রধান কারণ।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সংঘাত চতুর্থ সপ্তাহে গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে এয়ারলাইন্স নির্বাহীরা জ্বালানির সম্ভাব্য ঘাটতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। বিমান সংস্থাগুলোর মোট খরচের প্রায় এক-তৃতীয়াংশই ব্যয় হয় জেট ফুয়েলের পেছনে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে জেট ফুয়েলের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে এয়ারলাইন্সগুলোর পরিচালন ব্যয়ের ওপর।

জ্বালানি তেলের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং সম্ভাব্য সরবরাহ সংকটের কারণে অদূর ভবিষ্যতে বিমান ভাড়াও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, যা সাধারণ যাত্রী এবং পর্যটন শিল্প উভয়ের জন্যই উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত: বিশ্বজুড়ে এয়ারলাইন্সগুলোর ৫০ বিলিয়ন ডলারের বেশি ক্ষতি, বাড়ছে বিমান ভাড়া

আপডেট সময় : ০৬:৩৯:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল এবং ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাত বিশ্বব্যাপী বিমান পরিবহন শিল্পে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি ডেকে এনেছে। ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বিশ্বের বৃহত্তম ২০টি এয়ারলাইন্স তাদের বাজারমূল্য থেকে প্রায় ৫৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি হারিয়েছে।

যুদ্ধের প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে বেশ কয়েকটি এয়ারলাইন্স তাদের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে, যা তাদের আর্থিক ক্ষতির অন্যতম প্রধান কারণ।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সংঘাত চতুর্থ সপ্তাহে গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে এয়ারলাইন্স নির্বাহীরা জ্বালানির সম্ভাব্য ঘাটতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। বিমান সংস্থাগুলোর মোট খরচের প্রায় এক-তৃতীয়াংশই ব্যয় হয় জেট ফুয়েলের পেছনে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে জেট ফুয়েলের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে এয়ারলাইন্সগুলোর পরিচালন ব্যয়ের ওপর।

জ্বালানি তেলের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং সম্ভাব্য সরবরাহ সংকটের কারণে অদূর ভবিষ্যতে বিমান ভাড়াও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, যা সাধারণ যাত্রী এবং পর্যটন শিল্প উভয়ের জন্যই উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।