ঢাকা ০৬:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

ভারতীয় আদালতে হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি: ‘আমাকে ফাঁসানো হয়েছে’

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত প্রধান দুই আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল এবং আলমগীর হোসেনকে পশ্চিমবঙ্গের বিধাননগর মহকুমা আদালতে হাজির করা হয়েছে। ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ড শেষে রবিবার (২২ মার্চ) তাদের আদালতে তোলা হয়।

এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ফয়সাল করিম মাসুদ সাফ জানিয়ে দেন যে, তিনি এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নন এবং তাকে এই মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। তবে, তাকে কেন ফাঁসানো হচ্ছে বা এর পেছনে কারা জড়িত, সে বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এর আগে, উভয় আসামিকে বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। গত ৮ মার্চ পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্কফোর্স (এসটিএফ) বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ এলাকা থেকে ফয়সাল (৩৭) এবং আলমগীর (৩৪) কে গ্রেপ্তার করে। ফয়সালের বাড়ি বাংলাদেশের পটুয়াখালী এবং আলমগীরের বাড়ি ঢাকায়।

এসটিএফ সূত্রমতে, এই দুজন অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করে বনগাঁয় আত্মগোপন করেছিলেন এবং সুযোগ বুঝে পুনরায় বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হাদিকে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে এসটিএফ জানিয়েছে। তারা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করছিলেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের পর ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছিল।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পল্টন এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা একদল দুর্বৃত্ত হেলমেট পরে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হাদিকে গুলি করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়, যেখানে ১৮ ডিসেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক

ভারতীয় আদালতে হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি: ‘আমাকে ফাঁসানো হয়েছে’

আপডেট সময় : ০৩:২৪:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত প্রধান দুই আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল এবং আলমগীর হোসেনকে পশ্চিমবঙ্গের বিধাননগর মহকুমা আদালতে হাজির করা হয়েছে। ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ড শেষে রবিবার (২২ মার্চ) তাদের আদালতে তোলা হয়।

এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ফয়সাল করিম মাসুদ সাফ জানিয়ে দেন যে, তিনি এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নন এবং তাকে এই মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। তবে, তাকে কেন ফাঁসানো হচ্ছে বা এর পেছনে কারা জড়িত, সে বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এর আগে, উভয় আসামিকে বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। গত ৮ মার্চ পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্কফোর্স (এসটিএফ) বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ এলাকা থেকে ফয়সাল (৩৭) এবং আলমগীর (৩৪) কে গ্রেপ্তার করে। ফয়সালের বাড়ি বাংলাদেশের পটুয়াখালী এবং আলমগীরের বাড়ি ঢাকায়।

এসটিএফ সূত্রমতে, এই দুজন অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করে বনগাঁয় আত্মগোপন করেছিলেন এবং সুযোগ বুঝে পুনরায় বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হাদিকে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে এসটিএফ জানিয়েছে। তারা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করছিলেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের পর ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছিল।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পল্টন এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা একদল দুর্বৃত্ত হেলমেট পরে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হাদিকে গুলি করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়, যেখানে ১৮ ডিসেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।