ঢাকা ১১:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬

ফরিদপুরে ঈদের দিনে তাণ্ডব, পাগলা কুকুরের কামড়ে ১৬ জন আহত

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিনে বেওয়ারিশ পাগলা কুকুরের কামড়ে অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। এই ঘটনার পর স্থানীয়রা ক্ষিপ্ত হয়ে দুপুর ১২টার দিকে হাসপাতাল গেটের কাছে কুকুরটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলে। এর ফলে এলাকায় স্বস্তি ফিরে আসে।

শুক্রবার (২১ মার্চ) সকালে উপজেলার নয় রশি, চৌদ্দ রশি, সতের রশি, হাসপাতাল গেট, উপজেলা সদর, শ্যামপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় পথচারীদের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে কুকুরটি কামড়ে আহত করে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানিয়েছে, ঈদের সকাল থেকেই কুকুরের কামড়ে আহত রোগীরা হাসপাতালে আসতে শুরু করেন। অনেকের শরীরের মাংস ছিঁড়ে গেছে। কর্তব্যরত চিকিৎসকের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত ১৬ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে স্থানীয়দের মতে, আহতদের সংখ্যা প্রায় ৪০ জনের কাছাকাছি হতে পারে।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা চৌদ্দ রশি গ্রামের সাহিনুর জানান, তার ছেলেকে সকাল ১০টার দিকে রাস্তার মোড়ে কুকুরটি কামড়েছে। একই গ্রামের সাজাহান মিয়া জানান, তার ছেলেও ঈদের নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে কুকুরের আক্রমণের শিকার হয়েছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডা. শ্যামসুন্দর সাহা নিশ্চিত করেছেন যে, প্রত্যেক আহত ব্যক্তিকে প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন ও টিটি ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট: আরব বসন্তের পর কি এবার নতুন কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত?

ফরিদপুরে ঈদের দিনে তাণ্ডব, পাগলা কুকুরের কামড়ে ১৬ জন আহত

আপডেট সময় : ০৪:০৫:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিনে বেওয়ারিশ পাগলা কুকুরের কামড়ে অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। এই ঘটনার পর স্থানীয়রা ক্ষিপ্ত হয়ে দুপুর ১২টার দিকে হাসপাতাল গেটের কাছে কুকুরটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলে। এর ফলে এলাকায় স্বস্তি ফিরে আসে।

শুক্রবার (২১ মার্চ) সকালে উপজেলার নয় রশি, চৌদ্দ রশি, সতের রশি, হাসপাতাল গেট, উপজেলা সদর, শ্যামপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় পথচারীদের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে কুকুরটি কামড়ে আহত করে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানিয়েছে, ঈদের সকাল থেকেই কুকুরের কামড়ে আহত রোগীরা হাসপাতালে আসতে শুরু করেন। অনেকের শরীরের মাংস ছিঁড়ে গেছে। কর্তব্যরত চিকিৎসকের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত ১৬ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে স্থানীয়দের মতে, আহতদের সংখ্যা প্রায় ৪০ জনের কাছাকাছি হতে পারে।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা চৌদ্দ রশি গ্রামের সাহিনুর জানান, তার ছেলেকে সকাল ১০টার দিকে রাস্তার মোড়ে কুকুরটি কামড়েছে। একই গ্রামের সাজাহান মিয়া জানান, তার ছেলেও ঈদের নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে কুকুরের আক্রমণের শিকার হয়েছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডা. শ্যামসুন্দর সাহা নিশ্চিত করেছেন যে, প্রত্যেক আহত ব্যক্তিকে প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন ও টিটি ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে।