ঢাকা ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নবীনগরে চারগ্রাম কেন্দ্রীয় ঈদগাহে রেকর্ড সংখ্যক মুসল্লির ঈদুল ফিতরের জামাত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বৃহত্তম ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহাসিক চারগ্রাম কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান, নারায়ণপুরে। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও রেকর্ড সংখ্যক মুসল্লি এই মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। আয়তন এবং মুসল্লির উপস্থিতির দিক থেকে চারগ্রাম কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান নবীনগর উপজেলায় অন্যতম বৃহত্তম এবং সবচেয়ে বড় ঈদের জামাতের স্থান হিসেবে পরিচিত।

সকাল সাড়ে আটটায় শুরু হওয়া এই জামাতে আলীয়াবাদ, নারায়ণপুর, মাঝিকাড়া ও জল্লা—এই চার গ্রামের হাজার হাজার মুসল্লি শত বছর ধরে একসঙ্গে নামাজ আদায় করে আসছেন। এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকেও মুসল্লিরা এখানে ঈদের নামাজ আদায় করতে আসেন। চার গ্রামের ঐক্যের প্রতীক হিসেবে এই ঈদগাহ মাঠটি বিবেচিত হয়।

নামাজের ইমামতি করেন ঈদগাহের খতিব প্রভাষক মাওলানা মাসুদুর রহমান। নামাজ শেষে বিশেষ খুতবা প্রদান করা হয় এবং দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত করা হয়। মোনাজাতের পর মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বগুড়া পৌরসভা পেল সিটি করপোরেশনের মর্যাদা: ১৫০ বছরের অপেক্ষার অবসান

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নবীনগরে চারগ্রাম কেন্দ্রীয় ঈদগাহে রেকর্ড সংখ্যক মুসল্লির ঈদুল ফিতরের জামাত

আপডেট সময় : ০১:৫৬:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বৃহত্তম ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহাসিক চারগ্রাম কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান, নারায়ণপুরে। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও রেকর্ড সংখ্যক মুসল্লি এই মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। আয়তন এবং মুসল্লির উপস্থিতির দিক থেকে চারগ্রাম কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান নবীনগর উপজেলায় অন্যতম বৃহত্তম এবং সবচেয়ে বড় ঈদের জামাতের স্থান হিসেবে পরিচিত।

সকাল সাড়ে আটটায় শুরু হওয়া এই জামাতে আলীয়াবাদ, নারায়ণপুর, মাঝিকাড়া ও জল্লা—এই চার গ্রামের হাজার হাজার মুসল্লি শত বছর ধরে একসঙ্গে নামাজ আদায় করে আসছেন। এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকেও মুসল্লিরা এখানে ঈদের নামাজ আদায় করতে আসেন। চার গ্রামের ঐক্যের প্রতীক হিসেবে এই ঈদগাহ মাঠটি বিবেচিত হয়।

নামাজের ইমামতি করেন ঈদগাহের খতিব প্রভাষক মাওলানা মাসুদুর রহমান। নামাজ শেষে বিশেষ খুতবা প্রদান করা হয় এবং দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত করা হয়। মোনাজাতের পর মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেন।