ঢাকা ০৫:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

জাতীয় মসজিদে পবিত্র ঈদুল ফিতরের পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত

মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে সকাল ৭টা থেকে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত মোট পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে এই আয়োজন করা হয়।

ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৭টায়, এতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররমের জ্যেষ্ঠ পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান। এরপর সকাল ৮টায় দ্বিতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ইমামতি করেন মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী। সকাল ৯টায় তৃতীয় জামাতে ইমামতি করেন মাওলানা মো. জাকির হোসেন এবং চতুর্থ জামাত সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হয়, যার ইমামতি করেন মাওলানা যোবায়ের আহমেদ আল আযহারী। সর্বশেষ এবং পঞ্চম জামাত সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হয়, এতে ইমামতি করেন মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ।

প্রতিটি জামাত শেষে দেশ ও জাতির সার্বিক উন্নতি, সমৃদ্ধি এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও শৃঙ্খলা কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এছাড়াও দেশের অগ্রগতি এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও মুক্তির জন্য প্রার্থনা করা হয়, যা মুসল্লিদের মনে আশার সঞ্চার করে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অস্ত্র মামলায় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের অভিযোগ গঠন শুনানি পেছালো

জাতীয় মসজিদে পবিত্র ঈদুল ফিতরের পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ১২:৫১:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে সকাল ৭টা থেকে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত মোট পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে এই আয়োজন করা হয়।

ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৭টায়, এতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররমের জ্যেষ্ঠ পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান। এরপর সকাল ৮টায় দ্বিতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ইমামতি করেন মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী। সকাল ৯টায় তৃতীয় জামাতে ইমামতি করেন মাওলানা মো. জাকির হোসেন এবং চতুর্থ জামাত সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হয়, যার ইমামতি করেন মাওলানা যোবায়ের আহমেদ আল আযহারী। সর্বশেষ এবং পঞ্চম জামাত সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হয়, এতে ইমামতি করেন মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ।

প্রতিটি জামাত শেষে দেশ ও জাতির সার্বিক উন্নতি, সমৃদ্ধি এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও শৃঙ্খলা কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এছাড়াও দেশের অগ্রগতি এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও মুক্তির জন্য প্রার্থনা করা হয়, যা মুসল্লিদের মনে আশার সঞ্চার করে।