ঢাকা ০৮:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬

পেঁয়াজের বাজারে ধস: এক মণ পেঁয়াজ বিক্রি করেও মিলছে না ১ কেজি ইলিশ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪১:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় চাষিরা। বর্তমানে বাজারে এক মণ পেঁয়াজ বিক্রি করে এক কেজি ইলিশ মাছ কেনাও অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনকি এক মণ পেঁয়াজের দাম এখন এক কেজি গরুর মাংসের দামের সমান হয়ে গেছে, যা কৃষকদের মধ্যে তীব্র হতাশা তৈরি করেছে।

স্থানীয় বাজারগুলো ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি মণ পেঁয়াজ মাত্র ৭০০ থেকে ১১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ বাজারে মাঝারি মানের ইলিশের কেজি ৮০০ থেকে ১৫০০ টাকা এবং গরুর মাংস ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কৃষকদের দাবি, সার, বীজ এবং শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধির কারণে এবার প্রতি মণ পেঁয়াজ উৎপাদনে তাদের খরচ হয়েছে ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা। বর্তমান বাজার দরে তারা বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হলেও আগাম উত্তোলনের কারণে মোট উৎপাদন কিছুটা কমতে পারে। চাষিরা অভিযোগ করেছেন, সিন্ডিকেটের কারণে সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে তাদের কাছ থেকে বাড়তি দাম নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রাখা, পর্যাপ্ত সংরক্ষণাগার নির্মাণ এবং সহজ শর্তে কৃষি ঋণের দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গবেষণানির্ভর কৃষি উন্নয়নে জোর দিচ্ছে তারেক রহমান সরকার: কৃষিমন্ত্রী

পেঁয়াজের বাজারে ধস: এক মণ পেঁয়াজ বিক্রি করেও মিলছে না ১ কেজি ইলিশ

আপডেট সময় : ০৫:৪১:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় চাষিরা। বর্তমানে বাজারে এক মণ পেঁয়াজ বিক্রি করে এক কেজি ইলিশ মাছ কেনাও অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনকি এক মণ পেঁয়াজের দাম এখন এক কেজি গরুর মাংসের দামের সমান হয়ে গেছে, যা কৃষকদের মধ্যে তীব্র হতাশা তৈরি করেছে।

স্থানীয় বাজারগুলো ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি মণ পেঁয়াজ মাত্র ৭০০ থেকে ১১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ বাজারে মাঝারি মানের ইলিশের কেজি ৮০০ থেকে ১৫০০ টাকা এবং গরুর মাংস ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কৃষকদের দাবি, সার, বীজ এবং শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধির কারণে এবার প্রতি মণ পেঁয়াজ উৎপাদনে তাদের খরচ হয়েছে ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা। বর্তমান বাজার দরে তারা বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হলেও আগাম উত্তোলনের কারণে মোট উৎপাদন কিছুটা কমতে পারে। চাষিরা অভিযোগ করেছেন, সিন্ডিকেটের কারণে সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে তাদের কাছ থেকে বাড়তি দাম নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রাখা, পর্যাপ্ত সংরক্ষণাগার নির্মাণ এবং সহজ শর্তে কৃষি ঋণের দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা।