ঢাকা ০৯:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের ছায়া যুদ্ধে ইরানের নেপথ্য শক্তি কি রাশিয়া ও চীন?

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২৬:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান উত্তেজনার নেপথ্যে বিশ্বশক্তির নতুন মেরুকরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের দাবি, রাশিয়া ও চীন সরাসরি যুদ্ধে না জড়ালেও ইরানকে অত্যন্ত সংবেদনশীল গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সহায়তা করছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমানের সুনির্দিষ্ট অবস্থান সংক্রান্ত তথ্য তেহরানকে সরবরাহ করা হচ্ছে বলে ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এটি আধুনিক যুগের এক ডিজিটাল যুদ্ধ, যেখানে ট্যাংক বা ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়ে রাডার বিম, স্যাটেলাইট ফিড এবং ইলেকট্রনিক তথ্যপ্রবাহ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে ইরানের তৈরি ড্রোন ব্যবহার করছে, যার বিনিময়ে মস্কো এখন ইরানকে মার্কিন সামরিক গতিবিধির আগাম তথ্য দিয়ে সাহায্য করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, তবে মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি—এই সহযোগিতা কৌশলগত মিত্রতার চেয়েও গভীর কিছু।

সিআইএর সাবেক কর্মকর্তাদের মতে, বর্তমান যুদ্ধক্ষেত্রে তথ্যের সঠিক সমন্বয় বুলেটের চেয়েও বেশি কার্যকর। উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রকে চাপে রাখতে চীন ও রাশিয়া ইরানকে একটি ‘প্রক্সি’ হিসেবে ব্যবহার করছে। এই ত্রিদেশীয় অক্ষশক্তির সমন্বয় মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলেছে, যেখানে তথ্য-প্রযুক্তিই হয়ে উঠেছে প্রধান অস্ত্র।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পারমাণবিক ইস্যু অজুহাত, যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইরান

মধ্যপ্রাচ্যের ছায়া যুদ্ধে ইরানের নেপথ্য শক্তি কি রাশিয়া ও চীন?

আপডেট সময় : ০৩:২৬:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান উত্তেজনার নেপথ্যে বিশ্বশক্তির নতুন মেরুকরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের দাবি, রাশিয়া ও চীন সরাসরি যুদ্ধে না জড়ালেও ইরানকে অত্যন্ত সংবেদনশীল গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সহায়তা করছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমানের সুনির্দিষ্ট অবস্থান সংক্রান্ত তথ্য তেহরানকে সরবরাহ করা হচ্ছে বলে ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এটি আধুনিক যুগের এক ডিজিটাল যুদ্ধ, যেখানে ট্যাংক বা ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়ে রাডার বিম, স্যাটেলাইট ফিড এবং ইলেকট্রনিক তথ্যপ্রবাহ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে ইরানের তৈরি ড্রোন ব্যবহার করছে, যার বিনিময়ে মস্কো এখন ইরানকে মার্কিন সামরিক গতিবিধির আগাম তথ্য দিয়ে সাহায্য করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, তবে মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি—এই সহযোগিতা কৌশলগত মিত্রতার চেয়েও গভীর কিছু।

সিআইএর সাবেক কর্মকর্তাদের মতে, বর্তমান যুদ্ধক্ষেত্রে তথ্যের সঠিক সমন্বয় বুলেটের চেয়েও বেশি কার্যকর। উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রকে চাপে রাখতে চীন ও রাশিয়া ইরানকে একটি ‘প্রক্সি’ হিসেবে ব্যবহার করছে। এই ত্রিদেশীয় অক্ষশক্তির সমন্বয় মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলেছে, যেখানে তথ্য-প্রযুক্তিই হয়ে উঠেছে প্রধান অস্ত্র।