জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার মাত্র এক মাসের মাথায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের পদচারণায় রাজনৈতিক অঙ্গন বিশেষভাবে প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে। দীর্ঘ ১৮ বছর পর সরকার পরিচালনায় আসা বিএনপির জন্য এবারের ঈদ কেবল একটি ধর্মীয় উৎসবই নয়, বরং জনগণের আরও কাছাকাছি পৌঁছানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিএনপি, জামায়াত এবং এনসিপি-এর সংসদ সদস্যসহ দলের শীর্ষ নেতারা নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় ঈদ উদযাপনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কিছু নেতা অবশ্য রাজধানীতেই ঈদ করবেন। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পাঠানো উপহার সামগ্রী বিতরণ এবং গণসংযোগের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিএনপি চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘ প্রায় দেড় দশক পর দেশের মাটিতে ঈদ উদযাপন করতে যাচ্ছেন। ঈদের দিন সকালে জাতীয় ঈদগাহে নামাজ আদায়ের পর তিনি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কূটনীতিক, শিক্ষাবিদসহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। পরবর্তীতে মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, সংসদ সদস্য, বিশিষ্ট নাগরিক, আলেম, শিল্পী-সাহিত্যিক এবং বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের সঙ্গেও তিনি ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। দিনের শেষে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে শেরেবাংলা নগরে তার বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানিয়েছেন, জাতীয় ঈদগাহে নামাজ শেষে সকাল ১০টা থেকে যমুনাতে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হবে।
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এবং জামায়াতে ইসলামীর আমির নিজ নির্বাচনী এলাকা মিরপুরের মনিপুর গার্লস হাই স্কুল মাঠে সকাল ৮টায় ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করবেন। নামাজ শেষে তিনি সেখানে উপস্থিত সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। এরপর বেলা ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত মিন্টো রোডে অবস্থিত বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে এবং বেলা ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত রাজনৈতিক নেতা ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তিনি শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। জামায়াতের অন্যান্য শীর্ষ নেতাদের মধ্যে নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম ঢাকায়, অধ্যাপক মুজিবুর রহমান রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে, ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ঢাকায়, মাওলানা শামসুল ইসলাম চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় এবং সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার খুলনার খান
রিপোর্টারের নাম 

























