ঢাকা ১২:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের ওপর কঠোর নৌ অবরোধের ঘোষণা দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

ইরানের বন্দরগুলোতে কঠোর নৌ অবরোধ আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, ইরানি বন্দরে প্রবেশকারী বা সেখান থেকে ছেড়ে আসা যেকোনো জাহাজ এখন থেকে মার্কিন বাহিনীর নজরদারিতে থাকবে এবং প্রয়োজনে সেগুলোকে আটক করা হবে। ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ট্রাম্প এই চরম হুঁশিয়ারি দিলেন।

ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, ইরানের কোনো ‘হামলাকারী জাহাজ’ যদি মার্কিন অবরোধের সীমানা লঙ্ঘন করে, তবে সেগুলোকে মাদক পাচারকারীদের জাহাজের মতো ধ্বংস করে দেওয়া হবে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতির নির্দেশ অনুযায়ী এই অবরোধ কার্যকর করা হচ্ছে। তবে ওমান ও পারস্য উপসাগরীয় এলাকায় অন্যান্য দেশের সাধারণ বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে কোনো বিঘ্ন ঘটানো হবে না বলে জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইরান পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে অন্য সব সামরিক বিকল্পও বিবেচনায় রাখছেন ট্রাম্প।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পোপের ‘সাহসী’ অবস্থানের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ইরানের স্পিকার

ইরানের ওপর কঠোর নৌ অবরোধের ঘোষণা দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

আপডেট সময় : ১০:৪৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের বন্দরগুলোতে কঠোর নৌ অবরোধ আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, ইরানি বন্দরে প্রবেশকারী বা সেখান থেকে ছেড়ে আসা যেকোনো জাহাজ এখন থেকে মার্কিন বাহিনীর নজরদারিতে থাকবে এবং প্রয়োজনে সেগুলোকে আটক করা হবে। ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ট্রাম্প এই চরম হুঁশিয়ারি দিলেন।

ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, ইরানের কোনো ‘হামলাকারী জাহাজ’ যদি মার্কিন অবরোধের সীমানা লঙ্ঘন করে, তবে সেগুলোকে মাদক পাচারকারীদের জাহাজের মতো ধ্বংস করে দেওয়া হবে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতির নির্দেশ অনুযায়ী এই অবরোধ কার্যকর করা হচ্ছে। তবে ওমান ও পারস্য উপসাগরীয় এলাকায় অন্যান্য দেশের সাধারণ বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে কোনো বিঘ্ন ঘটানো হবে না বলে জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইরান পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে অন্য সব সামরিক বিকল্পও বিবেচনায় রাখছেন ট্রাম্প।