যারা ইরান বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল অথবা বৃহত্তর অর্থে পশ্চিমা দুনিয়ার মধ্যে একটি যুদ্ধ দেখছেন, তারা একটি বড় ভ্রান্তির মধ্যে রয়েছেন। একইভাবে, যারা এটিকে কেবল ইসলাম বনাম ইহুদি বা অন্য কোনো ধর্মের সংঘাত হিসেবে দেখছেন, তারাও আসল চিত্র থেকে দূরে। এমনকি যারা একে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের মধ্যে সংঘাতের রূপ হিসেবে দেখছেন, তারাও মূল কারণের কাছাকাছি যেতে পারেননি।
এই সংকটের গভীরে প্রবেশ করতে হলে আমাদের ১৯৯৬ সালের ১৯ নভেম্বর প্রকাশিত মার্কিন রাজনীতিবিজ্ঞানী স্যামুয়েল পি হান্টিংটনের ‘Clash of Civilization and The Remaking of World Order’ (সভ্যতার সংঘাত এবং নয়া বিশ্বব্যবস্থার পুনর্নির্মাণ) বইটির দিকে তাকাতে হবে। হান্টিংটন তার তত্ত্বে পশ্চিমা দুনিয়ার জন্য অবাধ লুণ্ঠন, সাম্রাজ্যবাদ এবং নয়া উপনিবেশবাদের মাধ্যমে দেশ বা অঞ্চল দখলের একটি নতুন তত্ত্ব হাজির করেছিলেন, যা স্বল্প সময়েই বৈধতা লাভ করে।
হান্টিংটনের তত্ত্বের প্রেক্ষাপট ছিল ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন। এই ঘটনা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বব্যবস্থার একক নিয়ন্ত্রক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। এই সময়কালে, ফ্রান্সিস ফুকুইয়ামা তার ‘End of History and the last man’ বইয়ে পশ্চিমা উদার গণতন্ত্রকেই মানবজাতির চূড়ান্ত আদর্শ হিসেবে ঘোষণা করেন। তবে, এই আনন্দ দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর এর অধীনে থাকা ১৫টি ছোট-বড় রাষ্ট্র গঠিত হয়।
হান্টিংটন তার বইয়ে উল্লেখ করেছিলেন যে, সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তি এবং গণতন্ত্রায়ণের পথে অগ্রসর হওয়ার বিষয়টি…
রিপোর্টারের নাম 

























