ঢাকা ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

আম্পায়ার ও রেফারিদের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় আনার উদ্যোগ নিচ্ছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

দেশের ক্রীড়াঙ্গনের অবিচ্ছেদ্য অংশ আম্পায়ার ও রেফারিদের জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) আওতায় আনতে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সোমবার জাতীয় স্টেডিয়াম পরিদর্শনকালে তিনি জানান, রেফারিদের পেশাগত মানোন্নয়ন এবং তাদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে এবং শীঘ্রই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, প্রতিটি খেলার মাঠেই রেফারিদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, অথচ তারা এখনো জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নীতিমালার বাইরে রয়েছেন। প্রয়োজনে বিদ্যমান নীতিমালা সংশোধন করে তাদের এই প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এর ফলে রেফারিরা সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার আওতায় আসতে পারবেন এবং তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

এছাড়া স্টেডিয়াম পরিদর্শনের সময় প্রতিমন্ত্রী মিরপুর সুইমিং পুলের দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো নিয়েও কথা বলেন। গত পাঁচ বছর ধরে নষ্ট থাকা ডিজিটাল স্কোর বোর্ড এবং গ্যাসের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, আধুনিক প্রতিযোগিতার যুগে হ্যান্ড টাইমিংয়ের ওপর নির্ভর করা সম্ভব নয়। সুইমিং পুলের আধুনিকায়ন এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা প্রদান করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নদী ও খাল খনন প্রকল্পে অনিয়ম হলে কঠোর ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির

আম্পায়ার ও রেফারিদের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় আনার উদ্যোগ নিচ্ছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৮:১৫:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

দেশের ক্রীড়াঙ্গনের অবিচ্ছেদ্য অংশ আম্পায়ার ও রেফারিদের জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) আওতায় আনতে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সোমবার জাতীয় স্টেডিয়াম পরিদর্শনকালে তিনি জানান, রেফারিদের পেশাগত মানোন্নয়ন এবং তাদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে এবং শীঘ্রই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, প্রতিটি খেলার মাঠেই রেফারিদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, অথচ তারা এখনো জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নীতিমালার বাইরে রয়েছেন। প্রয়োজনে বিদ্যমান নীতিমালা সংশোধন করে তাদের এই প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এর ফলে রেফারিরা সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার আওতায় আসতে পারবেন এবং তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

এছাড়া স্টেডিয়াম পরিদর্শনের সময় প্রতিমন্ত্রী মিরপুর সুইমিং পুলের দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো নিয়েও কথা বলেন। গত পাঁচ বছর ধরে নষ্ট থাকা ডিজিটাল স্কোর বোর্ড এবং গ্যাসের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, আধুনিক প্রতিযোগিতার যুগে হ্যান্ড টাইমিংয়ের ওপর নির্ভর করা সম্ভব নয়। সুইমিং পুলের আধুনিকায়ন এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা প্রদান করেন।