বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের তরুণ ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম অবশেষে তার দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন। মিরপুরে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে তিনি ১০৭ বলে ১০৭ রানের এক অনবদ্য ইনিংস খেলেন, যা ৬টি চার ও ৭টি বিশাল ছক্কায় সাজানো ছিল। তার এই অসাধারণ ইনিংসের সুবাদে বাংলাদেশ ৫ উইকেটে ২৯০ রানের একটি চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়তে সক্ষম হয়।
৩১তম ম্যাচ ও ৩০তম ইনিংসে এসে তানজিদ তার প্রথম আন্তর্জাতিক শতরানের স্বাদ পান। এর আগে প্রথম ওয়ানডেতে ৬৭ রানের একটি আত্মবিশ্বাসী ইনিংস খেলেছিলেন তিনি, যা তাকে এই ম্যাচে বড় স্কোর গড়তে উদ্বুদ্ধ করে। এদিন তিনি কেবল নিজের সেঞ্চুরিই পূর্ণ করেননি, দলের বড় সংগ্রহের ভিতও গড়ে দেন।
ইনিংসের শুরু থেকেই তানজিদ ছিলেন সাবলীল ও আক্রমণাত্মক। হ্যারিস রউফের বলে ৮২ মিটার ও ডিপ ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়ে দুটি দারুণ ছক্কা হাঁকান। এরপর আবরার আহমেদের বলেও ৮৪ মিটারের আরেকটি বিশাল ছক্কা আসে তার ব্যাট থেকে। তার ইনিংসের শেষ ছক্কাটি ছিল ৮৩ মিটার লম্বা, যা তার আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়েরই প্রমাণ।
ব্যক্তিগত সাফল্যের পাশাপাশি তানজিদ সতীর্থদের সঙ্গে দারুণ কিছু জুটিও গড়েন। উদ্বোধনী জুটিতে সাইফ হাসানের সঙ্গে ১০৫ রানের একটি শত রানের পার্টনারশিপ গড়েন, যা তার ক্যারিয়ারে প্রথম। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে ৫৩ রান এবং লিটন দাসের সঙ্গে তৃতীয় উইকেট জুটিতে ৩৬ রান যোগ করে দলের স্কোরবোর্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তার এই ইনিংসটি দলের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে নিঃসন্দেহে সাহায্য করবে।
রিপোর্টারের নাম 






















