ঢাকা ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

উত্তরায় রিকশাচালক-পুলিশ সংঘর্ষ, বাণিজ্যিক ভবনে ব্যাপক ভাঙচুর

রাজধানীর উত্তরায় এক রিকশাচালককে মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে রিকশা ও অটোরিকশাচালকদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই সময় বিক্ষুব্ধ চালকরা একটি বাণিজ্যিক ভবনে ভাঙচুর চালান এবং সড়ক অবরোধ করে রাখেন।

রোববার গভীর রাতে উত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টরের উত্তরা স্কয়ার নামক একটি বাণিজ্যিক ভবনের সামনে এই উত্তেজনাপূর্ণ ঘটনা ঘটে। রাত সাড়ে ১২টার দিকে শুরু হওয়া এই ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ প্রায় রাত ৩টা পর্যন্ত চলে, যা এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

ঘটনার সূত্রপাত হয় ভবনের নিরাপত্তাকর্মীর সঙ্গে এক রিকশাচালকের বচসাকে কেন্দ্র করে। এই বচসা দ্রুতই সংঘর্ষে রূপ নেয় এবং খবর ছড়িয়ে পড়লে অন্যান্য রিকশাচালক ও অটোরিকশাচালকরা ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা সড়ক অবরোধ করে এবং ভবনে ভাঙচুরের চেষ্টা চালায়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিক্ষুব্ধ জনতা তাদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে শুরু করে। জবাবে পুলিশ কয়েকটি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়।

এ সময় আহত রিকশাচালককে ভবনের ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয়েছে—এমন গুজব ছড়িয়ে পড়লে উপস্থিত জনতার মধ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পায়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী রফিক আহমেদ জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দিনাজপুরে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী, গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন দিগন্তের সূচনা

উত্তরায় রিকশাচালক-পুলিশ সংঘর্ষ, বাণিজ্যিক ভবনে ব্যাপক ভাঙচুর

আপডেট সময় : ০৬:৫২:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

রাজধানীর উত্তরায় এক রিকশাচালককে মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে রিকশা ও অটোরিকশাচালকদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই সময় বিক্ষুব্ধ চালকরা একটি বাণিজ্যিক ভবনে ভাঙচুর চালান এবং সড়ক অবরোধ করে রাখেন।

রোববার গভীর রাতে উত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টরের উত্তরা স্কয়ার নামক একটি বাণিজ্যিক ভবনের সামনে এই উত্তেজনাপূর্ণ ঘটনা ঘটে। রাত সাড়ে ১২টার দিকে শুরু হওয়া এই ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ প্রায় রাত ৩টা পর্যন্ত চলে, যা এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

ঘটনার সূত্রপাত হয় ভবনের নিরাপত্তাকর্মীর সঙ্গে এক রিকশাচালকের বচসাকে কেন্দ্র করে। এই বচসা দ্রুতই সংঘর্ষে রূপ নেয় এবং খবর ছড়িয়ে পড়লে অন্যান্য রিকশাচালক ও অটোরিকশাচালকরা ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা সড়ক অবরোধ করে এবং ভবনে ভাঙচুরের চেষ্টা চালায়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিক্ষুব্ধ জনতা তাদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে শুরু করে। জবাবে পুলিশ কয়েকটি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়।

এ সময় আহত রিকশাচালককে ভবনের ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয়েছে—এমন গুজব ছড়িয়ে পড়লে উপস্থিত জনতার মধ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পায়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী রফিক আহমেদ জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।